শিরোনাম

“৪৬তম বাজেট”,কোনো ঐতিহাসিক বা কাল্পনিক বাজেট নয় বরং এটিই সময়ের “স্বাভাবিক-বাজেট”

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬:৪২:৩৭ পূর্বাহ্ণ - ০৪ জুন ২০১৭ | ৪০০

“৪৬তম বাজেট”,কোনো ঐতিহাসিক বা কাল্পনিক বাজেট নয় বরং এটিই সময়ের “স্বাভাবিক-বাজেট”-ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রকিবুল ইসলাম রকিব।
#কিছু_প্রশ্নঃ
■এখনো কি “শায়েস্তা খাঁর” আমল-টাকায় আট মন চাল পাওয়া যায়?
■এখনো কি মানুষ সময় বুঝতে সূর্য দেখে?
■এখনো কি ছেলেরা “আলিফ-লায়লা” বা “মীনা-কার্টুন” দেখে?
■এখনো কি মানুষ ঘোড়ার গাড়িতে যাতায়াত করে?
■এখনো কি মানুষ রেডিওতে বিজ্ঞাপন তরঙ্গে অনুরোধের আসর “গানের-ডালি” শোনে?
■এখনো কি মানুষ পানি জাহাজে “হজ্ব” করে?
■এখনো কি ছাত্ররা “চক-শ্লেটে” আটকে আছে?
■এখনো কি অনুভূতির বিনিময় চলে “টেলিগ্রাম চিঠিতে”?
■এখনো কি “বাঙালি-বধূর” এক টাকায় কাবিন হয়?
■এখনো কি কেউ মসলা ভাঙে হাতে বা “যাতা-কলে”?
■এখনো কি কম টাকায় রাজ্যের তামাম বাজার হয়?
■আজো কি তবে “জাতি” জাগতিক আর বাস্তব সম্মত নয় নাকি ঘুমন্তই,জাগ্রত নয়?

¤ আমরা সর্বদাই কঠিন বাস্তবতা আর “সময়ের” হাতে নিরন্তর বন্দী।”সময়” বরং বেরসিক আর স্বার্থপর হয়।তাই “সময়কে” সময় দিতেই হবে আর নিঃশেষে আমাদের নির্মম “বাস্তবতাই” মানতে হয়।
কারন “সময়” তো আর আইন মানে না কারো জন্য থামেও না।তাই সর্বত্র চলছে “সময়ের” নিষ্ঠুর বাস্তবতার “নির্মম-শাসন”।আর আমাদের মানতেই হয় “সময়ের” সে বিবেকহীন প্রহসন।
“বাস্তবতা” সদাই মান্যবর,মানতে হয় সে যতই কঠিন নির্মম নিষ্ঠুর হোক।তাই যদি আমি কার্যত অগ্রসরমান “অগ্রগামী-মানুষ” হই তবে বেঁচে থাকার তাগিদে “সময়ের” প্রয়োজনে আমাকে সে “অবাক-বাস্তবতা” মানতেই হয়।

#কাজের_কথায়_আসিঃ
আজ এই “Altra Modern” যুগেও দেখি একদল কপট ভীরু আমাদের সর্বদা “অগ্রগামী-বাংলাদেশকে” পশ্চাতে ঠেলে দিতে নিরন্তর ব্যর্থ চেষ্টা করে যাচ্ছে।এও কি সম্ভব!!

“দই” খেয়ে যে জাতি তৃপ্তির ঢেকুর তোলে পরম তৃপ্ত হয়েছে তাদের কি “নূন-পান্তার” কেচ্ছা কাহিনী শুনিয়ে লাভ আছে!লাভ নেই।
তাই “বাস্তবতার” আলোয় আসুন,ভয় না করে “সময়ের” সম্মুখীন হোন আর অনুধাবন করুন আর উত্তরটাও আপনিই বলুন।
¤ অল্প টাকায় কি আপনার সংসারের উনুনে আগুন জ্বলে?
¤ অল্প বা স্বল্প বাজেটে একটা “বৃহৎ-জাতি” বা “গোটা-দেশ” চলে?

“অর্থনীতির” আকার দিনে দিনেই বড় হয় আর হচ্ছেও।তাই স্বাধীনতা পরবর্তী “বাংলাদেশে” এ যাবত যতগুলো বাজেট হয়েছে তার প্রতিটির আকারও পূর্বের চেয়ে যৌক্তিক শর্তে এবং সময়ের প্রয়োজনে আরো বড় ও দৃঢ় হয়েছে আর হবেও।এটাই স্বাভাবিক!

এটা ২০১৭ সাল।বাংলাদেশ তথা বিশ্বে সর্বত্র সবকিছুতেই একটা “ডিজিটাল-বিপ্লব” হচ্ছে,বিশ্ব নিরন্তর অবিচল এগিয়ে যাচ্ছে।
#তাইঃ
■#আওয়ামী_লীগের “৪ লক্ষ ২৬৬ হাজার কোটি টাকার” এই “৪৬তম” বাজেটকে কোন ভাবেই বাংলাদেশের ইতিহাসে এক #ঐতিহাসিক বা #কাল্পনিক” বাজেট বলার সুযোগ নেই।
■বরং এটিই বহুলাংশে “বাস্তবতার” তথা “সময়ের” এক যৌক্তিক #স্বাভাবিক_বাজেট।

#এই_বাজেটের_উল্লেখযোগ্য_দিক_সমূহ
■এই “৪৬তম বাজেট” দারিদ্র্য বিমোচনের নিমিত্তে এক “আস্থার” বাজেট।
■কৃষিতে ভূর্তুকি ও বরাদ্দ বাড়ায় পাশাপাশি কর কমায় এটি “কৃষক ও কৃষি বান্ধব” বাজেট।
■শিক্ষা খাতে আরোপিত কর অব্যাহতি করে “সার্বজনীন শিক্ষা” অধিকার নিশ্চিত করায় এটি “শিক্ষা বান্ধব” বাজেট।
■অর্থ বিনিয়োগের সুষম সুযোগ থাকায় এটি ব্যবসায়ীদের জন্য “বিনিয়োগ-বান্ধব” বাজেট।
■নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য কমায় এটি কার্যত “আম-জনতার” বাজেট।
■তথ্য প্রযুক্তি খাতে জোর দেয়ায় এটি “ICT-বান্ধব ও প্রযুক্তি নির্ভর” বাজেট।
■পোশাক খাতে কর্পোরেট কর কমিয়ে আনায় এটি “তৈরি পোশাক শিল্প নির্ভর” বাজেট।
■পরিবহন সেবায় কর কমাতে এটি “পরিবহন সেবা নিশ্চিত” বাজেট।
■স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি হওয়ায় এটি “সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা” বাজেট।
■এ বাজেটে “মুক্তিযোদ্ধাদের” বরাদ্দ ভাতা বৃদ্ধি এবং প্রতিবন্ধী ও সমাজের বিশেষ শ্রেণীর মানুষের জন্য বিশেষ ভাতা বরাদ্দ করায় এটি “মুক্তিযোদ্ধা ও বিশেষ শ্রেণীর” কাম্য বাজেট।
■হাওরবাসীর অচলাবস্থা দূরীকরণের পাশাপাশি অবস্থার উন্নয়নে ও সামাজিক নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করায় এটি “হাওরবাসীর স্বপ্নের ও সামাজিক নিরাপত্তা নির্ভর” বাজেট।
■এডিপি’তে বরাদ্দ বৃদ্ধিতে এটি “এডিপিরও” বাজেট।
■সর্বোপরি “এ বাজেট” কালো টাকা সাদা করার নয় বরং সাদা টাকার আদর্শ ও সুষম বিনিয়োগের “সর্বোত্তম” বাজেট।

#আবগারি_শুল্ক_প্রসঙ্গ #উদ্দেশ্য_ও_যুক্তি
“আবগারি শুল্ক” একবারই কাটা হয়।অতীতেও ব্যাংক হিসাব থেকে এই আবগারি শুল্ক কর্তন করা হতো।কিন্তু এবার এর পরিমাণটা একটু বেশি হওয়ায় নিন্দুকের “চক্ষু চড়কগাছ”।

■মনে রাখতে হবে-
একটি দেশের যৌক্তিক উন্নতিতে ও উন্নয়নকে বেগবান করতে সে দেশের Capital Amount বা মূলধন ভূয়সী ভূমিকা রাখে।
¤ আর তাই মূলত “বাংলাদেশের” বিদ্যমান মূলধনকে আরো বৃদ্ধি করে কাম্য পর্যায়ে আনার জন্য এবং দেশের “অর্থনীতিকে” সচল ও চাঙ্গা রাখতেই এই আবগারি শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
¤ সমাজের বিত্তশালী এবং ধনকুবেরদের অলস টাকা ব্যাংকে ফেলে না রেখে বরং বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করার জন্যই কার্যত এবার আবগারি শুল্ক বাড়ানো হয়েছে।

ইংরেজিতে একটা কথা প্রচলিত আছে-
#Money_begets_money অর্থাৎ টাকায় টাকা আনে। কার্যত “টাকা বা অর্থই” বিনিয়োগের মাধ্যমে পরিমাণে বাড়ে।পাশাপাশি “অর্থনীতি” আকারে বৃহদায়তন হয় এবং “অর্থনীতি” সচল ও চাঙ্গা হয়।পরিশেষে এভাবেই একটি দেশের কাম্য “মূলধন” বৃদ্ধি পায় এবং সে দেশ উন্নতির দিকে দ্রুত এগিয়ে যায়।

তাই যাচ্ছেতাই কিচ্ছু না বুঝে অনর্থক বিভ্রান্ত না হয়ে বরং বিনিয়োগে মনোনিবেশ ও উৎসাহিত হওয়া উচিত।কারন বর্তমান সরকার একজন “বিনিয়োগকারীর” বিনিয়োজিত অর্থের সুষম ব্যবহার ও রিটার্নের সর্বোত্তম নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন এবং সর্বোচ্চ নিশ্চয়তা প্রদান করেছেন।

বাজেট আলোচনার শেষাংশে বলতে চাই বঙ্গবন্ধু কন্যা “দেশরত্ন শেখ হাসিনার” সরকার সবসময় দারিদ্র্য বিমোচন করার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন বান্ধব সরকার।”বঙ্গকন্যা” বরাবরই বাংলার ভাগ্যাহত অবহেলিত মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ঘটিয়ে দেশের সম্যক উন্নয়ন সাধন করেছেন।এবং উন্নতির সাক্ষর রেখেছেন।

■তাই প্রত্যাশা করছি-
¤ “বঙ্গকন্যার” মাধ্যমেই তাঁর বিচক্ষণ দূরদর্শীতা এবং যৌক্তিক পরামর্শমতে প্রতিটি খাতে ২০১৭ সালের এই প্রস্তাবিত “স্বাভাবিক-বাজেটের” সর্বোত্তম ও সুষম ব্যবহার হবে নিশ্চিত হবে।
¤ এবং “শেখ হাসিনার” হাতেই আমাদের “বাংলাদেশ” আগামীতে মধ্যম আয়ের দেশ থেকে একটি উন্নত আধুনিক দেশে পরিণত হবে।

কারন যতদিন “দেশরত্ন শেখ হাসিনার” হাতে দেশ
ততদিনই সর্বাগ্রে সর্বত্রই “উন্নয়নের-বর্ষণ” হবে
দেশটা হবে সর্বাধিক উন্নত “আলোকিত-বাংলাদেশ”।

জয়তু-বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা
জয়তু-বাংলাদেশ,জাগ্রত সারাবাংলা
“জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু”।
বাংলাদেশ চির উন্নত,চিরজীবী হোক।

সর্বশেষ
%d bloggers like this: