শিরোনাম

শেরেবাংলার দূরদর্শিতা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুসরণীয়

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২:২৫:৩৩ পূর্বাহ্ণ - ২৭ এপ্রিল ২০১৭ | ৩৪৮

শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুসরণীয় হয়ে থাকবে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের ৫৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

দেশের মানুষের কল্যাণে শেরে বাংলার বিভিন্ন আইনী সংস্কারের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গীয় চাকুরি নিয়োগবিধি, প্রজাস্বত্ব আইন, মহাজনি আইন, দোকান কর্মচারী আইন প্রণয়নের ফলে এ অঞ্চলের অবহেলিত কৃষক-শ্রমিক উপকৃত হন। এ দেশের কৃষক-শ্রমিক তথা মেহনতি মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নে এ কে ফজলুল হকের অবদান জাতি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে।

তিনি বলেন, অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শেরে বাংলা এ অঞ্চলের মানুষের শিক্ষা, রাজনীতি, সমাজ সংস্কারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। বাংলার শোষিত ও নির্যাতিত কৃষক সমাজকে ঋণের বেড়াজাল থেকে মুক্তির লক্ষ্যে তার উদ্যোগে গঠিত ‘ঋণ সালিশি বোর্ড’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

তিনি বলেন, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ছিলেন উপমহাদেশের এক অনন্য সাধারণ প্রজ্ঞাবান ও বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ।

এ কে ফজলুল হকের রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করে মো. আবদুল হামিদ বলেন, বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩), পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪), পূর্ব বাংলার গভর্নরের (১৯৫৬-১৯৫৮) পদসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

তিনি ছিলেন অসাধারণ মেধাবী ও বাগ্মী এবং একাধারে বাংলা, ইংরেজি ও উর্দু ভাষায় অনর্গল বক্তৃতা করতে পারতেন। প্রায় অর্ধ-শতাব্দীর অধিককাল তিনি গণমানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন।

শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের মৃত্যুবার্ষিকীতে তিনি তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এ মহান নেতার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

সর্বশেষ