শিরোনাম

লুটপাটের জন্যই আইনের সংশোধনী : ফখরুল

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২:৩৯:৫০ পূর্বাহ্ণ - ০৯ মে ২০১৭ | ৪১০

ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধনের যে সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভা নিয়েছে এর সমালোচনা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেছেন, সরকারি দলের লোকদের লুটপাটের জন্যই আইনের সংশোধনী আনা হচ্ছে।

ফখরুল বলেন, ‘সরকার দেশের অর্থনীতিকে রসাতলে নিয়ে গেছে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে যে আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে, তাকে এখন পরিচালকরা যারা দুই মেয়াদ রয়েছেন, তারা আরও এক মেয়াদ থাকতে পারবেন। কেবল তাই নয়, এই আইন পাস হলে একই পরিবারের চারজন পরিচালক থাকতে পারবেন। অর্থাৎ তারাই যখন সব ব্যাংক দখল করে নিয়েছে, এখন তাদের পরিবারের চারজন করে পরিচালক থাকবেন এবং সেই ব্যাংকিং ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে গোটা অর্থনীতিকে তারা লুট করে ছেড়ে দেবেন।’

সোমবার বিকালে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দেশব্যাপী ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগর উত্তরের কর্মিসভায় ফখরুল এসব কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, ‘আজকে প্রধান বিচারপতি অত্যন্ত জরুরি কথা বলেছেন, সত্য কথা বলেছেন। যে কথাগুলো আমরা বারবার বলে আসছি, এদেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীন নয়। এর ওপরে প্রশাসন চাপ নিয়ে বসে আছে, সরকার নিয়ন্ত্রণ করছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা ভুক্তভোগী। নিম্ন আদালতের হাকিমকে হুকুম দিলে জামিন হয়, না হলে জামিন হয় না। দীর্ঘ ছয় বছর ধরে প্রধান বিচারপতি বিধিমালা চাচ্ছেন বিচারকদের, সেই বিধিমালা এখন পর্যন্ত দেয়া হয়নি।’

এরশাদের সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, ‘যাকে (এরশাদ) বর্জন করা হয়েছিল, যাকে এদেশের মানুষ ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিল, তাকে এখন বিশেষ দূত বানিয়েছে। তার দলের তিনজনকে মন্ত্রী বানিয়েছে। আজকে এভাবে এদেশ গণতন্ত্রবিহীন হয়ে পড়েছে।’

আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করতে চায় জানিয়ে ফখরুল বলেন, ‘আমরা নির্বাচন চাই, নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হোক, সেটা আমরা চাই। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আমরা সরকারে যেতে চাই। যে নির্বাচনে আপনারা একা খেলবেন, একা আপনারা রেফারি হবেন, মাঠ দখল করে রাখবেন, সেই নির্বাচন তো হবে না। লেভেল প্ল্যায়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় নির্বাচন এদেশে হতে হবে, অন্য কোনো নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না।’

মহানগর উত্তরের সহসভাপতি মুন্সি বজলুল বাছিত আঞ্জুর সভাপতিত্বে কর্মিসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসান, যুবদলের সাইফুল ইসলাম নিরব, এস এম জাহাঙ্গীর, স্বেচ্ছাসেবক দলের ইয়াসীন আলী, মহিলা দলের পেয়ারা মোস্তফা, ছাত্রদলের সাজ্জাদ হোসেন রুবেল প্রমূখ বক্তব্য দেন।

 

janatarpratidin.com /Md. Bappy /09 May 2017

 

সর্বশেষ