শিরোনাম

রকিবেই সুন্দর-সুরক্ষিত ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩:৪৭:২০ পূর্বাহ্ণ - ০৯ জুলাই ২০১৭ | ৫০২

“ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের” কর্ণধার সংগ্রামী সভাপতি জনাব মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিব-

তার বিচক্ষণ দূরদর্শীতা,বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও সাহসী পদক্ষেপের মাধ্যমে মুক্তাগাছায় দীর্ঘ দিনের কুক্ষিগত ক্ষমতায়নের শেকল ভেঙে নব রাজনীতির শুভ সূচনা হলো। মুক্তাগাছায় ছাত্র রাজনীতিতে এক “শৌর্য-সূর্য” উদিত হলো। আওয়ামী লীগ ক্ষমতার সুষম বন্টন বিশ্বাস করে।আওয়ামী লীগ সবসময় সর্বোচ্চ ত্যাগী এবং যোগ্য মানুষটির হাতেই দলীয় নেতৃত্ব অর্পণ করতে সর্বদা বদ্ধপরিকর আর এটাই আওয়ামী রাজনীতির এক দারুন সৌন্দর্য।মনে রাখবেন বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা তৃণমূলের সর্বশেষ ত্যাগী আর নির্যাতিত ছেলেটার খোঁজও রাখেন।তিঁনিই আদর্শ আর ত্যাগের সঠিক মূল্যায়ন করেন।

আওয়ামী রাজনীতির ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়- “বঙ্গবন্ধু থেকে বঙ্গকন্যা” সর্বত্রই চূড়ান্ত আদর্শিক আর সর্বোচ্চ ত্যাগীদেরই সর্বোত্তম মূল্যায়ন হয়েছে।প্রচন্ড ত্যাগে দুঃখ দূর্দিনে রাজপথের লড়াই সংগ্রামে আর নির্মম নির্যাতনেই একজন গর্বিত “আওয়ামী কর্মীর” জন্ম হয়।তাই আওয়ামী রাজনীতি অনর্থক টাকার কাছে যাচ্ছেতাই বিক্রি হওয়ার নয়।

এরই ধারাবাহিকতায়…… ময়মনসিংহ রাজনীতির অবাক সৃষ্টি,বিস্ময় পুরুষ জনাব রকিবুল ইসলাম রকিব যিনি নিজেকে সর্বাগ্রে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার একজন সামান্য কর্মী মনে করেন তিনি সত্যিকার অর্থেই আওয়ামী নীতি আর আদর্শে গড়া পুরোদস্তুর একজন আওয়ামী অনুভূতির সন্তান।তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ চেতনায় বিশ্বাস করেন,অন্তরে পুষে নিরন্তর লালন করেন এবং আওয়ামী অনুভূতি নিত্য খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করেন পাশাপাশি তিনি তাদেরকেই ভীষণ ভয় পান যাঁরা আদর্শ বেঁচে খায় আর নিঃশেষে আওয়ামী অনুভূতিকে নির্মম ভাবে আঘাত করে সত্যিকার ত্যাগীদের প্রশ্নবিদ্ধ করে।তিনি দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে সর্বদা শক্তিশালী করার জন্য সর্বত্র অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। তিনি ছুটেছেন ময়মনসিংহ জেলার প্রত্যেকটি উপজেলা,চষে বেড়িয়েছেন প্রত্যন্ত গ্রাম বাংলার প্রতিটি অলিগলি যেখানে তিনি ছড়িয়ে দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শমাখা অমর বাণী,বঙ্গকন্যার মায়াভরা আদেশ আর নিপুণ হাতে তুলে এনেছেন একেকটি “ত্যাগী-আদর্শ সন্তান”।

যাঁরা বর্তমান তথা ভবিষ্যতের দেশ গঠনে বঙ্গকন্যার হাতকে শক্তিশালী পূর্বক জাতি গঠনেও সম্যক ভূমিকা পালন করতে পারবে। তাই তো জনাব রকিবুল ইসলাম রকিবের সুদূরপ্রসারী চিন্তা ভাবনা এবং দক্ষ নেতৃত্ব গুণের মাধ্যমে “ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ” অতীতের যেকোনো সময়ের থেকে আজ অনেক বেশি শাণিত,শোভিত,প্রাণোচ্ছল আর সৌন্দর্যমণ্ডিত। তাই যে যাই বলুক যতই নিন্দার ঝড় উঠুক আমি বিশ্বাস করি যতদিন জনাব রকিবুল ইসলাম রকিবের হাতে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের মহান পবিত্র দায়িত্ব অর্পিত থাকবে ততদিন আদর্শ আর ত্যাগীদেরই জয় হবে। কারণ রকিবুল ইসলাম রকিব বলেছেন- “নেতৃত্বে কর্মী তব মর্মে,নেতা বাঁচে তাঁর কর্মে”। “জন্ম যাঁর দেশ গড়িবার,কর্মে প্রমাণ তাঁর বারেবার,গড়িবো দেশ থাকিবো বেশ।”

মনে রাখবেন- ক্ষমতার মজুদে ত্যাগী কাঁদে কোটি অযুত নিযুতে।কেনো ভুলে যান রাজপথে ওরাওঁ(ত্যাগী) ছিলো সমানে সমান নয়তো কিঞ্চিত বেশিতে। আপনি ক্ষমতার কাঙাল হলে “ত্যাগী” কাঁদে মুখ লুকিয়ে নিরবে নিভৃতে। আজ আর ভয় করিনা কারণ- ভালো লাগা হাতে ভালোবাসার “ছাত্রলীগ” ভালো থেকো “ছাত্রলীগ”,ভালো রেখো “ছাত্রলীগ” রকিবেই সুন্দর-সুরক্ষিত ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ। জয়তু-দেশরত্ন শেখ হাসিনা জয়তু-ছাত্রলীগ সারাবাংলা “জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু”

লেখক: আরিফুল হক আরিফ

সর্বশেষ
%d bloggers like this: