শিরোনাম

বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে স্থবিরতা

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২:০৮:০৬ অপরাহ্ণ - ২৭ এপ্রিল ২০১৭ | ৩৯৭

বেনাপোল বন্দরে পণ্যবাহী ট্রাক ও কার্ভাডভ্যানের অভাবে বন্দর থেকে মালামাল পরিবহনে সংকটাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ট্রাকের অবৈধ বাম্পার, হুক, এ্যাংগেল থাকবে না এ ধরনের সরকারি সিদ্ধান্ত আসায় ভয়াবহ পণ্য পরিবহন সংকট দেখা দিয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে। ফলে ট্রাক ও কার্ভাডভ্যানের ভাড়া রাতারাতি বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাংলাদেশি পণ্যবাহী ট্রাক ও কার্ভাডভ্যানের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলানায় অনেক কম। বন্দর থেকে পণ্য খালাস করতে না পারায় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

খাজা মইন উদ্দিন চিশতি (রহ.) ট্রান্সপোট এজেন্সির মালিক আলী আজম জানান, রাস্তায় প্রশাসনের লোকজন পণ্যবাহী ট্রাক ও কার্ভাডভ্যানের বাম্পার, হুক, এ্যাংগেল কেটে দিচ্ছে। মামলা ও জরিমানা করছে। এ কারণে ড্রাইভাররা ট্রাক নিয়ে রাস্তায় বের হচ্ছেন না। ফলে পণ্য পরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত ট্রাক পাওয়া যাচ্ছে না। তারপরও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি  দিয়ে রাতে কিছু পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল করলেও ট্রাকের ভাড়া আগের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। বন্দর থেকে সময় মত পণ্য খালাস করতে না পারায় আমদানিকারকরা মারাত্মক আর্থিক সংকটে পড়ছে। বড় ধরনের প্রভাব পড়ছে দুই দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে।

বেনাপোল ট্রান্সপোট মালিক সমিতির সভাপতি কামাল হোসেন জানান, আগে যেখানে প্রতিদিন বেনাপোল বন্দর থেকে গড়ে প্রায় ৮শ ট্রাক পণ্য লোড হতো,এখন সেখানে প্রতিদিন প্রায় ৪শ ট্রাক পণ্য লোড হচ্ছে। বাংলাদেশে প্রায় ৮০-৯০ ভাগ ট্রাক ও কার্ভাডভ্যানে বাম্পার, হুক, এ্যাংগেল লাগানো আছে। এভাবে চলতে থাকলে এক সময় পণ্য পরিবহনের জন্য এ বন্দরে ট্রাক পাওয়া যাবে না। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান না হলে বেনাপোল বন্দরে ভয়াবহ পণ্যজট বেঁধে যাবে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক রেজাউল করিম জানান, বন্দরে ট্রাক সংকটের কারণে পণ্য পরিবহনে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। আশা করি, খুব তাড়াতাড়ি এ সমস্যার সমাধান হবে।

সর্বশেষ