শিরোনাম

বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধি নিয়ে শুনানি সোমবার

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১:৪০:৩৯ পূর্বাহ্ণ - ০৮ মে ২০১৭ | ৩৮০

নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করা সংক্রান্ত মাসদার হোসেন মামলায় শুনানির জন্য সোমবার দিন ধার্য রয়েছে। আজ নির্ধারিত দিনে আবারো আদালতে এ বিষয়ে শুনানি এবং আদেশের জন্য রয়েছে।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ছয় সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এই বিষয়ে আদেশ দেবেন।

এরআগে গত ৪ এপ্রিল আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের একমাত্র আইনজীবী  অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম মামলাটির শুনানি করেন। ওইদিন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতের দুই সপ্তাহ সময় প্রার্থনা করেন।

পরে আবেদন শুনানি নিয়ে বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট প্রকাশে সরকারকে আরও দুই সপ্তাহ (৮ মে পর্যন্ত) সময় দেন আপিল বিভাগ।

এর আগেও গেজেট প্রকাশে ১০ দফা সময় নেয় সরকার। ৪ এপ্রিল সর্বশেষ ১১তম বারের মতো সময় পায় রাষ্ট্রপক্ষ। নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়ন না করায় আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে ২০১৬ সালের ১২ ডিসেম্বর তলবও করেছিলেন আপিল বিভাগি।

২০১৬ সালের ৭ নভেম্বর বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা ২৪ নভেম্বরের মধ্যে গেজেট আকারে প্রণয়ন করতে সরকারকে নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।

১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেওয়া হয়। ওই রায়ের আলোকে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল।

১২ দফার মধ্যে ইতোমধ্যে কয়েক দফা বাস্তবায়ন করেছে সরকার। এজন্য বারবার আদেশ দিতে হয়েছে আপিল বিভাগকে। এমনকি ২০০৪ সালে আদালত অবমাননার মামলাও করতে হয়েছে বাদীপক্ষকে। এরপর ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক ঘোষণা করেন।

এ অবস্থায় ২০১৫ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগ চার সপ্তাহ সময় দেন সরকারকে। এরপর গত বছরের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি খসড়া শৃঙ্খলাবিধি তৈরি করে সুপ্রিম কোর্টে পাঠায়। কিন্তু তা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে না হওয়ায় সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষ একটি কমিটি গঠন করে আলাদা একটি শৃঙ্খলাবিধি তৈরি করেন। গত ২ জানুয়ারি এ বিষয়ে আপিল বিভাগে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

২০০৭ সালের ১০ জানুয়ারি আপিল বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত চারটি বিধিমালা সাত দিনের মধ্যে গেজেট আকারে প্রকাশের নির্দেশ দেন। তবে এ সংক্রান্ত মামলাটি এখনও আপিল বিভাগে বিচারাধীন। ১২ দফা নির্দেশনার যেসব দফা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য তাগিদ রয়েছে।

 

 

 

 

সর্বশেষ