শিরোনাম

বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে পর্যটন খাত

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২:২০:১২ পূর্বাহ্ণ - ৩০ এপ্রিল ২০১৭ | ৪১৭

বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যবসার যে খাতগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে নীতিমালা তৈরি করে প্রথমবারের মতো সেই নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছে পর্যটন খাত।

শনিবার ঢাকার সোনারগাঁও হোটেলে পর্যটন বিষয়ক মাসিক পত্রিকা ভ্রমণ ও বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ড আয়োজিত পর্যটন বর্ষে ব্যাংক ও আর্থিক খাতের ভূমিকা শীর্ষক এক সেমিনারে এই ঘোষণা দেন বালাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. আবু হেনা রাজী হাসান।

পর্যটন খাতে ব্যাংক ও আথিক প্রতিষ্ঠানসমূহের অধিকতর সংযুক্তি ও সহযোগিতায় বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই ঘোষণাকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প গত তিন বছরে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে যা অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

বাংলাদেশ টুরিস্ট পুলিশের বরাত দিয়ে মন্ত্রী জানান, ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ পর্যটকের সংখ্যা ছিল ৯৮ লাখ বা প্রায় ১ কোটি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী একজন টুরিস্টের আগমনে ১১টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। সেই হিসাবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ১১ কোটি মানুষের জীবন-জীবিকার উপলক্ষ ছিল বাংলাদেশের পর্যটন। প্রধানমন্ত্রী মানুষের ঘরে ঘরে চাকরি দেওয়ার যে স্বপ্ন দেখেন, বাংলাদেশের পর্যটন বর্ষের এই দ্বিতীয় বছরে এসে আমি বলতে পারি, প্রধানমন্ত্রীর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের সূচনা করেছে পর্যটন খাত।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বলেন, পর্যটন পত্রিকা ভ্রমণ বাংলাদেশের পর্যটন উন্নয়ন ক্ষেত্রে নতুন দিক-নির্দেশনা সৃষ্টিতে যে অবদান রাখছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

বাংলাদেশে ১ কোটি ৩০ লাখ প্রবীণ আছেন জানিয়ে তিনি বলেন, এই প্রবীণদের একটা বড় অংশ দেশের মধ্যে ভ্রমণ করতে চান, তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় ভ্রমণের সুযোগ করে দেওয়া গেলে সেটিও অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে। বাংলাদেশের পর্যটনের ব্যাপক সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর মাধ্যমে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জনে বিশেষ জোড় দেন তিনি।

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং সাবেক সচিব আরাস্তু খান পর্যটন ও ব্যাংক খাত নিয়ে এই ধরনের আয়োজনকে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ উল্লেখ করে বলেন, ইসলামী ব্যাংক আগামীতে টুরিজম খাতে যা যা সহযোগিতা করা সম্ভব তার সব কিছু করবে।

আলোচনায় আরও অংশ নেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান ড. অপরূপ চৌধুরী, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের গবেষক ড. তৌফিকুল ইসলাম খান, পাটা বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান শাহিদ হামিদ, টোয়াব সভাপতি তৌফিক উদ্দিন আহমেদ এবং সোশাল ইসলামী ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএমএম ফরহাদ প্রমুখ।

 

janatarpratidin.com /Md. Bappy /30 April 2017

এ বিভাগের জনপ্রিয় খবর

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর