শিরোনাম

বর্ষবরণকালে নিরাপত্তার স্বার্থে তিনদিন শহর ও পার্ক সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে : পুলিশ সুপার

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮:০৮:৪৮ অপরাহ্ণ - ১০ এপ্রিল ২০১৮ | ২৪৩

স্টাফ রিপোর্টার : দেশের অষ্টম বিভাগীয় শহর ময়মনসিংহে বাঙালির প্রাণের উৎসব চিরন্তন ঐতিহ্য বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশে ও নির্বিঘেœ উদযাপনের লক্ষে মঙ্গলবার আইনশৃংখলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা পুলিশের উদ্যোগে মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ সুপারের সভা কক্ষে আইনশৃংখলা বিষয়ক এ মতবিনিময় সভা হয়।
সভায় পুলিশ সুপার সৈয়দ নূরুল ইসলাম বলেন, বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ ব্যাপক উৎসাহ-উদযাপনের লক্ষ্যে বিভাগীয় শহরে সকল ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বর্ষবরণের আগের দিন থেকে পরের দিন (তিনদিন) পর্যন্ত শহরের মোড়ে মোড়ে নিরাপত্তার চাদরে ডাকা থাকবে। এ লক্ষ্যে ওয়াচ টাওয়ার, সাদা পোষাকে অতিরিক্ত পুলিশ ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ তীরবর্তী শিল্পাচার্য জয়নুল পার্কসহ পুরো নগর সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। আগামী ১৩ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিল এই তিনদিন বৈশাখীর র‌্যালীতে কোন প্রকার মূখোশ ও ভুভু বাশি ব্যবহার এবং মোটর সাইকেলে একাধিক ব্যাক্তি চলাচল করতে পারবে না। বৈশাখী উৎসব খোলা মাঠের অনুষ্ঠান বেলা ৫টার মধ্যে শেষ করার জন্য পুলিশ সুপার সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকমীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক অধ্যাপক আমীর আহমেদ চেীধুরী রতন জানান, এ বছর বাংলা নববর্ষ বরণ করে নিতে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে বর্ষ-বরণ উদযাপন পর্ষদের উদ্যোগে শহরের স্টেশন রোড থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হবে। বাঙালির প্রাণের উৎসব চিরন্তন ঐতিহ্য বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে স্থানীয় মুকুল নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্র বের করা হয়।
শোভাযাত্রায় আবহমান বাংলার ঐতিহ্যের গরু,মহিষ ও ঘোড়া গাড়ী, পালকি, বর-কণে, কুড়ে ঘর, পশু-পাখির দল, জেলের দল, কুলা,লাঙ্গল-জোয়াল, পলো, ঢেঁকিসহ গ্রাম-বাংলার বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরা হবে,আনন্দ শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে স্থানীয় শিল্পাচার্য জয়নুল পার্কের বৈশাখী মঞ্চে গিয়ে শেষ হবে।
সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএসবি জয়িতা শিল্পী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক অধ্যাপক আমীর আহমেদ চেীধুরী রতন ও এডভোকেট আবুল কাসেম প্রমুখ। সভায় জেলার বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও জেলা পুলিশের উচ্চপদস্ত কর্মকর্তাসহ সকল থানার ওসিগন উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ সুপার সৈয়দ নূরুল ইসলাম পহেলা বৈশাখ পালনের জন্য সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক অধ্যাপক আমীর আহমেদ চেীধুরী রতনের হাতে নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা তুলে দেন।

সর্বশেষ
%d bloggers like this: