শিরোনাম

প্রযুক্তি খাতে ন্যায্য অধিকার আদায়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২:২১:৪২ পূর্বাহ্ণ - ১৭ মে ২০১৭ | ২৩৫

প্রযুক্তি খাতে গ্রাহকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

মঙ্গলবার  সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি দেয়।

স্মারকলিপিতে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলা হয়, আপনি ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর টেলিকম ও প্রযুক্তি খাতে মনোপলি বাজার ভেঙে প্রতিযোগিতা ও উন্মুক্ত বাজার সৃষ্টি করেছেন। ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণা করে ভিশন ২০২১ রূপকল্প নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন।

ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট স্থাপনের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট ২০১৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হবে। বর্তমানে দেশের মুঠোফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১২ কোটি ১০ লাখ। মোবাইল ব্যাংকিংয়ে এশিয়া মহাদেশে বাংলাদেশ ২য়।

সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে ফাইবার অপটিক পৌঁছানোর কাজ এগিয়ে চলছে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা এমন অবস্থায় আছি প্রযুক্তি ছাড়া আর কোনো কিছু ভাবা যায় না। এসবই সম্ভব হয়েছে আপনার দূরদর্শিতা, সুযোগ্য সন্তান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের কল্যাণে।

প্রযুক্তি ও যোগাযোগের উন্নতি সাধিত হলেও টেলিকম খাত থেকে মোট জিডিপি ৬ দশমিক ৫ ভাগ অর্জন সম্ভব হলেও এ খাতে যারা গ্রাহক তারা বিপদে রয়েছে। যদিও আপনার সময়েই ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬ তৈরি হয়েছে। কিন্তু এসব আইনের কোথাও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের গ্রাহকদের অধিকার সুরক্ষার জন্য কোনো নিয়মনীতি বা আইন নেই।

আপনি জানেন আমাদের দেশের মানুষ সহজ-সরল। প্রযুক্তি শিক্ষার অভাব থাকায় মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স, কম্পিউটার সামগ্রী, মুঠোফোন ও এক্সেসরিস এমনকি ইন্টারনেট সেবা ও সিম কার্ড জালিয়াতিসহ অসংখ্য প্রতারণা এবং সাইবার অপরাধীদের উৎপাত, জালিয়াতি চক্রের ফাঁদ গ্রাহকদের অতিষ্ঠ করে তুলেছে।

জনগণের নানা সমস্যা গণমাধ্যমে লেখালেখি ও আমাদের বিভিন্ন কর্মসূচির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন গত বছরের ২২ নভেম্বর একটি গণ শুনানির আয়োজন করে। তার ফলাফল এখনও প্রকাশিত হয়নি। এই গণশুনানির বিরুদ্ধে আরেকটি গণশুনানির প্রয়োজন পড়েছে। এ অবস্থা আর চলতে দেয়া যায় না। তাই সুদৃষ্টি আনতে আপনার দারস্ত হয়েছি।

 

janatarpratidin.com / Md. Bappy / 17 May 2017

 

সর্বশেষ
%d bloggers like this: