শিরোনাম

দেশে পর্যাপ্ত চাল মজুদ আছে, খাদ্য ঘাটতি হবে না : খাদ্যমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২:৪১:৪১ অপরাহ্ণ - ২৭ এপ্রিল ২০১৭ | ৪০৩

খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, হাওরে বন্যার কারণে উৎপাদন ৬ লাখ টন কমলেও তাতে চালের বাজারে কোনো প্রভাব পড়বে না। বাংলাদেশে বছরে ১৫ থেকে ২০ লাখ টন চাল উদ্বৃত্ত থাকার কথাও জানান তিনি। তবে হাওরের ফসলহানিকে ব্যবহার করে অসাধু ব্যবসায়ীরা চালের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারেন বলে শঙ্কা রয়েছে তার।

রাজধানীর বসুন্ধরায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে ‘সেমস গ্লোবালের’ আয়োজনে খাদ্যপণ্য এবং কৃষিজাত উপকরণের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বুধবার কামরুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “হাওরাঞ্চলে বোরোর ক্ষতি হয়েছে ধরে নিলাম ছয় লক্ষ মেট্রিক টন। এতে করে আমাদের খাদ্য মজুদের ক্ষেত্রে কী বিপর্যয়.. এমন কী অবস্থা সৃষ্টি হবে তা আমি বুঝি না!”

চলতি বোরো মৌসুমে ৭ লাখ টন ধান এবং ৮ লাখ টন চাল কেনার লক্ষ্য ঠিক করেছে সরকার। এ বছর বোরো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা এক কোটি ৯১ লাখ ৫৩ হাজার টন।

মন্ত্রী জানান, দেশে বছরে প্রায় সাড়ে তিন কোটি মেট্রিক টন চাল উৎপাদন হয়। এর মধ্যে দেশের মানুষের প্রয়োজন হল ২ কোটি ৯০/৯২ লাখ মেট্রিক টন। বছরে ১৫ থেকে ২০ লাখ মেট্রিক টন চাল উদ্বৃত্ত থাকে।

পর্যাপ্ত পরিমাণ চাল দেশে মজুদ আছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “খাদ্য ঘাটতি কোনো কারণ নেই। কাজেই এ ব্যাপারে জনমনে কোনো প্যানিক সৃষ্টি করারও কোনো কারণ আছে বলে আমি মনে করি না।”

তবে জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি করে চালের দাম বাড়ানোর চেষ্টার কথাও বলেন তিনি। “কিছু অসাধু ব্যবসায়ী, মজুতদার যারা, অসাধু মিল মালিক যারা, তারা অহেতুক একটা প্যানিক সৃষ্টি করে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে।”

‘আতঙ্ক সৃষ্টি’ হওয়ার মতো কোনো সংবাদ প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার হাওরাঞ্চলের দুর্গতদের সাহায্যের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে তা বাস্তবায়ন করছে।

সর্বশেষ