শিরোনাম

এক বাঁশের সাঁকোই ভারসা,তিন গ্রামবাসীর!

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২:৪৮:৩৮ পূর্বাহ্ণ - ০৮ জুন ২০২০ | ৩০৫
ফেরদৌস আলম,উলিপুর
ব্রিজ নেই, নিজেদের উদ্যগেই তৈরি বাঁশের সাঁকোই  যাতায়াতের একমাত্র ভরসা তিন গ্রামের হাজারও মানুষের।যুগ আর ক্ষমতারপালা পাল্টালেও,পাল্টেনি তাদের ভাগ্য।তাই ভাগ্যের নির্মমতাকে মেনে প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়েই পারাপার করতে হচ্ছে গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি,শিশু,শিক্ষার্থী ও হাজারও মানুষকে। এতে প্রতিদিন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে স্কুলগামী শিক্ষার্থী,শিশু ও প্রবীণরা।
কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার বজরা ইউনিয়নের দক্ষিন-পশ্চিম পার্শে খালের উপর নির্মিত ঐ বাঁশের সাঁকোই ইউনিয়নের সাতালস্কর-সাদুয়াদামার হাট-কালপানি বজরা-এ তিন গ্রামের হাজারও মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা।
সরেজমিনে দেখা যায়,এবছরেও বন্যার আগাম সময়েই নিজেদের যাতায়াত পথ ঠিক করতে  গ্রামবাসীদের উদ্যগে যুবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে নির্মিত হচ্ছে বাঁশের সাঁকো।
স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে জানা যায়,২০০৭ খ্রিঃ সড়ক সংস্কারের সময় ঐজাগায় ব্রিজ নির্মাণের জন্য নির্ধারণ করা হলেও, এক যুগেরও অধিক সময় ধরেও আজ অবধি নির্মিত হয়নি কোন ব্রিজ।গ্রামবাসীর পক্ষথেকে বার বার ব্রিজের জন্য আবদার করা হলেও, কর্ণপাত করেনি কেউ।তবে, ২০১৬খ্রিঃ ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যগে নাম ভাঙ্গানো ইট-সিমেন্ট-বালির পিলারে কাঠের সাঁকো নির্মিত হলেও প্রবল পানির শ্রোতে একই বছরেই বিলিন হয়ে যায় সাঁকোটি।তাই,গ্রামবাসীদের উদ্যগে প্রতি বছর নির্মিত বাঁশের সাঁকোই যাতায়াতের একমাত্র ভারসা হাজারও মানুষের।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ,ব্রিজ না থাকায়, দূর্বল বাঁশের সাঁকো দিয়ে স্কুল-কলেজ যাতায়াতে অনেক ভয় হয়,তাছাড়া প্রবল শ্রোতে কিছু দিনের মধ্যে সাঁকোটি ভেঙ্গে যায়! তখন আমরা ঠিকমত স্কুল-কলেজ যেতে পারিনা।
ব্রিজ না থাকায় বর্ষা মৌষমে সন্তানদের স্কুল-কলেজ পাঠানো,হাট-বাজার,চিকিৎসায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় স্থানীয়দের।গ্রামবাসীরা বলেন,দু’পাশেই অসংখ্য শিক্ষার্থী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করে। এ সব কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নদী পার হতে হয় বাঁশের সাঁকো দিয়ে। অনেক সময় পা পিছলে পরে যায়,এজন্য অনেক দুঃশ্চিন্তা হয়। হাট বাজার করতেও অনেক ঝামেলা হয়।এছাড়াও অসুস্থ হলে যোগাযোগের অভাবে ডাক্ততার আসতে চায় না আর মেডিক্যালেও নেয়া সম্ভব হয় না।তাই বড় ভোগান্তিতে পরতে হয়।যদি এখানে একটা ব্রিজ হত তাহলে এসব ভোগান্তি হত না।আমরা সংশ্লিষ্টদের কাছে  দাবি জানাই এখানে একটা ব্রিজ নির্মাণ করা হোক।
সর্বশেষ
%d bloggers like this: