শিরোনাম

“আস্তে আস্তে কেনো যেনো আমরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিপক্ষ হয়ে যাচ্ছি।”

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১:৪৪:১৩ অপরাহ্ণ - ২৭ এপ্রিল ২০১৭ | ৫৭৮

অনুভবে- সিদ্দিকী নাজমুল আলম ভাই

মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিব এর একান্ত বিশ্লেষণঃ

বলাই বাহুল্য-“নাজমুল ভাইয়ের” আলোচ্য ধারনাটি সঠিক কিন্তু তা বর্তমান সময়ের জন্য মারাত্মক দূর্যোগ ও “রাজনৈতিক-বিপর্যয়”। আশ্চর্য হই যখন “শিষ্টাচার” নিরর্থক পরাস্ত হয় বেখেয়ালে, অতিকথনে।
দলের “নীতি-নির্ধারকেরা” স্বদেশ স্বার্থে সর্বদা সজাগ দৃষ্টি রাখে। আর অর্পিত দায়িত্ব পালনে নিত্য ব্যস্ত’ ব্যাপৃত অধস্তন কোটি “নেতা-কর্মীজনে”, দেশ গঠনে।
এসবেও নিন্দুক জাগে; “নিবেদিত-কর্মীদের” এ পবিত্র ত্যাগ’কে “তেলবাজি” বলে জ্ঞান করে।
অতঃপর উদ্ভট প্রশ্নবাণে “অস্তিত্ব-সংকটে” ফেলে “ত্যাগী-কর্মীমনে” আজীবন লালিত “মুজিব-আদর্শ” কে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তখন অসম্ভব অবাক লাগে; আর সত্যিই ব্যাপক বিস্মিত হই।

এই সুযোগে স্বার্থান্বেষী চামবাজ দেশদ্রোহীদের সমাগম বাড়ে আর অত্যন্ত সন্তর্পণে নিজেদের জড়ায় “বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আর চেতনার” রাজনীতিতে। “কোটি-কর্মীর” ত্যাগের অবদান এক নিমিষেই হারিয়ে যায় ঐসব ‘বিদ্বেষী-চামবাজের’ আশ্চর্য ‘তেল-শিল্পের’ ছোঁয়ায়। সহসাই দলের কিছু “আদর্শচ্যুত-নেতা(!)” বিপথে যায় আর ওদের আশ্চর্য তেলে ‘নীতি’ ভুলে যায়, মিথ্যে ছলনায় হারায়। বিনিময়ে ঐসব নীতিহীন আদর্শচ্যুত নেতা(!) এসব হাইব্রিড চামবাজদের “দত্তক(?)” নেয় ,স্বীকৃতি দেয়।
ঐসব নেতারা(!)কেবল বিত্ত বৈভব আর ‘অর্থের’ মাপকাঠিতে “আত্ম-যোগ্যতা” ওজন করে। তারা “আদর্শ আর নীতিটাকে” বা’পায়ে পিষে “হাইব্রিড-চামবাজদের” কাছে “চেতনার-রাজনীতিটা” বেঁচে দেয়।
আর তারাই প্রকৃত “আদর্শহীন-নীতিভ্রষ্ট”; তারা ‘তেলবাজের’ জনক আর ‘হাইব্রিড-চামবাজের’ চরম প্রতিপালক। ধিক্কার!সব ‘দত্তক তেলবাজ’ বাবার!

হায়! হায়!…. “হাইব্রিড তেলবাজ= নিবেদিত ত্যাগী” এবার ‘আদর্শ-চেতনায়’ সমানে সমান। কারণ কারো ‘অস্তিত্ব, চেতনা আর আদর্শ’ পরিমাপ করার মতো কার্যকর “আদর্শ-মানদণ্ড” আজো তৈরী হয় নি। আবার “নিবেদিত-ত্যাগী” ও “চামবাজ-দত্তকদের (?)” মধ্যে পার্থক্য নিরূপণকারী যুগসই কোনো “উচ্চমার্গীয়-উদ্যোগ” দলের “নীতি-নির্ধারকেরা” অদ্যাবধি গ্রহণ করেন নি।
ফলশ্রুতিতে, ফলাফল “ভয়াবহ-ভয়ঙ্কর”……
কারন “ত্যাগীদের” অনেকে আজ অনেকাংশেই ‘অযাচিত-উপেক্ষিত’ হয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন। অথচ অন্যদিকে সুযোগসন্ধানী ঐসব স্বার্থান্বেষী “চামবাজ-দত্তকদের(?)” জন্যে “জাতীয়/ মহান-নেতা” বনে যাওয়ার ‘পরম-সুযোগটি’ কিন্তু বহুলাংশেই ঐসব আদর্শচ্যুত নীতিহীন নেতারাই (!) করে দিচ্ছেন।
সত্যি বলতে-যেখানে “মূল্যবোধের বা জবাবদিহিতার” সামান্য সুযোগটুকু থাকেনা শুধু “অর্থই” যোগ্যতা আর শেষ কথা, তখন বুঝতে হবে সেখানে “মুক্তিযুদ্ধের গৌরবের চেতনা” চরম মাত্রায় উপেক্ষিত।
আবার যখন কারো মাঝে দেশের বা দশের নানান অসঙ্গতি “ভুল-চুকগুলো” তুলে ধরার “সৎসাহস বা ক্ষমতা” টুকু অনুপস্থিত এবং যার মধ্যে এসব অন্যায় প্রহসনের ‘কাম্য-সমাধানের’ পথ খোঁজার নূন্যতম প্রয়াসটুকু থাকে না, তখনও বুঝতে হবে তন্মধ্যে “বঙ্গবন্ধুর আজন্ম আদর্শ” সর্বদাই অযাচিত আর অবহেলিত।

আর এজন্যেই- “আওয়ামী-অস্তিত্ব” বনাম “চামবাজ -দত্তক(?)” একজন অন্যজনে ভীষণ “প্রতিপক্ষ” আর তাই আমরা তীব্র “প্রতিপক্ষ” হলাম।

“বঙ্গবন্ধুর আদর্শ” বিচ্যুত আর “মুক্তিযুদ্ধের চেতনা” বহির্ভূত “নেতা-কর্মী (!)” সর্বত্র তীর্যক ঘৃনিত হউক সে যতই ‘টাকার-কুমির’; আর তাদের (!) গৃহীত “পদক্ষেপ/কর্মকান্ড” সব সর্বনাশা আর প্রচন্ড প্রশ্নবিদ্ধ।
তাই আমৃত্যু চাই আর থাকি প্রত্যাশায়; যেনো…..
“মুজিব-আদর্শ” যাচিত হউক আর অনুপ্রাণিত করুক সর্ব “নেতা-কর্মীজনে” •আবার “মুক্তির-চেতনা” জাগ্রত থাকুক সর্বত্র “আওয়ামী-পরিবারে”, আপামর “বাঙালি-অস্তিত্বে”।

সর্বশেষ