শিরোনাম

৭ টি কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩:৪৯:০৭ অপরাহ্ণ - ২৫ জানুয়ারি ২০১৮ | ২১৮

ইমনা নুরে জান্নাত ইম্মি:

গত ২৩ শে জানুয়ারি ২০১৮ সারাদিন ব্যাপি দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় এর বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন এর নেতৃবৃন্দ কর্মী কর্তৃক দাবি আদায়ের লক্ষ্যে কয়েকটি ফটকের তালা ভেঙ্গে উপাচার্য্য মো:আখতারুজ্জামান সাহেব কে অবরুদ্ধ ও লাঞ্চিত করে।দাবি আদায় এর জন্য আন্দোলন করা গনতান্ত্রিক অধিকারে আছে,, কিন্তু তার মানে এই না যে গনতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের মাত্রা সীমা অতিক্রম করে করতে হবে।

অধিকার আদায়ের দাবিতে শিক্ষকদের অপদস্ত করা লাঞ্চিত করা মোটে ও সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ এর ছাত্র – ছাত্রী দের জন্য শোভনীয় নয়,,যাদের হাতে জাতি দেখবে কলম তা না জাতি কে এই বিষয় টি কিনা অবাক করেছে,, যাই হোক এখন বলতে চাই ৭ টি কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে এবং পরবর্তীতে মানবিকতার বিষয় মাথায় রেখে সাতটি কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত করা হয়।

এই কলেজগুলোর শিক্ষার্থীরা যখন আন্দোলন করছিল,দিনের পর দিন রাস্তা অবরোধ করে সাধারন মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি করেছিল তখন ঢাবি’র বিবেকবানরা ছিল কোথায়?? এমনকি যখন এই সাতটি কলেজকে ঢাবি’র অধিভুক্ত করা হয় তখন কেনইবা এই বিবেকবানরা চুপ করে ছিলেন?? আর আমার সাংবাদিক ভাইয়েরা ই বা কেন তখন নিশ্চুপ ছিল?? আজ যারা ছাত্রলীগকে কুলষিত করার জন্য নির্লজ্জ মিথ্যাচারে নেমেছেন তাদেরকে আয়নায় নিজের মুখ দেখতে অনুরোধ জানাচ্ছি,,,!! ছাত্রলীগ যাই করুক,, কোনদিন ভিসির গায়ে হাত দেয় নি! ইতিহাস তো তাই বলে!! বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অভিভাবকের গায়ে হাত তোলাকে যারা জায়েজ করছেন তাঁরাই ভিসির গাড়িতে সামান্য ঢিল ছোড়া নিয়ে হাহাকার করেছিলো ! তা নিশ্চয় আমাদের মনে আছে,, যাইহোক এখন আসি সাত কলেজের ছাত্রদের নিয়ে,, এদের কিছুদিন আগেই অন্তর্ভূক্ত করা হলো,, কয়েকটি পরীক্ষাও ঢাবির অধীনে হয়েছে,, এখন কি হঠাৎ করেই এদের বাদ দেওয়া যাবে?? তাদের শিক্ষা জীবন কি অনিশ্চিত হবে না?? তাদের কথা যদি তারা না ভাবে তাহলে তারা কেমন ছাত্রনেতা আর কিসের অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করে সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলাই যেতে পারে। নাকি বিশেষ কোন মহলের ইন্দনে এরা চলছে? ? শাহবাগ আন্দলনের সময় মনে আছে হাজার পান্জাবীর কথা? এদের চরিত্র যেমন বেশি কিছু আশা করতে পারছি না!! আসলে বিষয়টা এখন চলে গেছে একদিকে মাস্টারদের রাজনীতিতে এবং অন্যদিকে সরকারের শেষ বছরে ক্যাম্পাসকে অস্থিশীল করার হীন চক্রান্তে। অধিভুক্তি সমস্যাকে আমাদের সাংবাদিক ভাইয়েরা যৌক্তিক মনে করছেন,, যার সাথে আমিও একমত পোষণ করছি! কিন্তু এই প্রতিবাদ তখনই করা যৌক্তিক ছিল তখন যখন ৭ টি কলেজের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমেছিল।

এখন যখন ঢাবি’র অধীনে কয়েকটি পরীক্ষা হয়ে গেছে তখন আবার এই শিক্ষার্থীদের ছাত্রজীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা সম্পূর্ন অযৌক্তিক।আর যদি পূর্বোক্ত উদ্দেশ্য নিয়ে আন্দোলন করে থাকেন তাহলে ভিন্ন কথা….

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর