শিরোনাম

■ এক চিরদুঃখী মহিয়সীর পিতাহীন স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ■

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২:৫৩:৩০ পূর্বাহ্ণ - ১৮ মে ২০১৭ | ১৯১

লেখক, ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মো: রকিবুল ইসলাম রকিব

“১৭মে,১৯৮১ সাল”> রচিতো হলো “সোনার বাংলার” এক নতুন ইতিহাস,আজন্ম দুঃখী এতিম দেশরত্ন “শেখ হাসিনার” এক “উদয়-উপাখ্যান”।

সেদিন প্রকৃতিও তীব্র গর্জে অঝোরে কেঁদেছিলো-সব হারানো পিতাহীন এতিম “বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার” স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে।তখন বিকেল সাড়ে চার,বাতাসে স্পষ্ট বৈরিতা ছিলো ভীষণ ঝড় বৃষ্টি আধার। তবুও হলো ১৫ লক্ষ জনসমুদ্র “কুর্মিটোলা বিমানবন্দর”।

“১৯৭৫ সালের” সেই কলঙ্কিত দূর্যোগ পরবর্তী দীর্ঘ সাড়ে ছয় বছর পর এই দিনটাই ছিলো বাঙালির চরম কাঙ্ক্ষিত,বহুল প্রত্যাশিত “মাহেন্দ্রক্ষণ”!!!
ঝড় বৃষ্টি আঁধার উপেক্ষা করে-হাতে নিয়ে বাঙালির মুক্তির এক “আলোকবর্তিকা” স্বদেশে এই দিনেই প্রথম পা রাখলেন “বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা”।
আসমান জমিন প্রকম্পিত করে তীব্র কষ্টে অন্তর দহনে সেদিন “দেশরত্ন” ভীষণ কেঁদেছিলেন অঝোর ধারায়।
“বঙ্গ-পিতার” স্বপ্নের “সোনার-বাংলাদেশে” পা রেখে প্রথমেই “বঙ্গকন্যা” নিশ্চন্তে নিরাপদ ভরসায় নিয়েছিলেন পরম “আস্তার-নিঃশ্বাস”।

■ অতঃপর “তিঁনি” উদ্ধত আহ্বানে “কোটি-বাঙালিকে” শোনালেন তাঁর বিশ্বাস আর আশা আকাঙ্ক্ষার অমর সেই কথাগুলি —–
“আমি সব হারিয়ে আপনাদের কাছে এসেছি”
■ তিনি আরো বলেন——
“আমি আওয়ামী লীগের নেত্রী হওয়ার জন্য আসিনি।আপনাদের বোন হিসাবে,মেয়ে হিসাবে,বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী আওয়ামী লীগের কর্মী হিসাবে আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই।”
“বাঙালি” বিশ্বাস রাখলো কার্যত পরম আশ্বস্ত হলো।

অবশেষে “বাংলাদেশ”-“শেখ হাসিনাকে” প্রচন্ড গর্বে আর অহংকারে তাঁর “মাতৃগর্ভে” ধারন করলো।প্রকৃতপক্ষে “বাংলাদেশ ও বাঙালি” কিছুটা হলেও সুযোগ পেলো ইতিহাসের কলঙ্কিত ঘৃনিত “১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের” প্রচন্ড পাপ আর অভিশাপ মোচনের।

“১৭মে,১৯৮১ সালেই”> বঙ্গবন্ধুর “সোনার-বাংলার” ভাগ্যাকাশে দেখাদিলো বহুল প্রত্যাশিত এক “নতুন-সূর্যোদয়”।আর শুরু হলো বাঙালির আশা আকাঙ্ক্ষার এক নতুন অধ্যায়-“নতুন-অভ্যুদয়”………..

তাই “১৭ই মে”> বাঙালির উজ্জ্বল ইতিহাসে এই দিনটি শুধু “বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন” দিবসই নয় বরং এটি “বাঙালির নতুনত্ব ও পুনর্জন্মের দিন”।….হ্যাঁ!!সত্যিই!!
🌷১৭ই মে>”বাঙালির নতুনত্ব ও পুনর্জন্মের দিন”।🌷

তাই এই “১৭ই মে”>
•প্রত্যেকটা বাঙালিকে নিতে হবে দৃপ্ত “নতুন শপথ” আর নতুন করে বাঁচতে শিখতে হবে
•আবার নতুন করে “বাঙালি-হৃদয়ে” আদর্শের এক চিরন্তন “বাঙালিয়ানা” জাগাতে হবে
🌷“বাঙালির বাঙালিয়ানা” জাগ্রত হবেই!🌷

“বঙ্গকন্যার” নেতৃত্বে বাঙালির “বাঙালিয়ানা” সর্বাগ্রে আবারো সর্বত্রই নিত্য “নতুনত্ব ও পুনর্জন্মে” জাগবেই এবং “রবী ঠাকুরকে” ভুল ধরিয়ে মিথ্যে প্রমাণ করবে তার অবিশ্বাসী সেই “হেন চরণ(!)”।
■ আমি বিশ্বাস করি “পিতা মুজিব” কবিগুরুকে যথার্থই বলেছিলেন—-
“দেখে যাও “বাঙালি” মানুষ হয়েছে,”বাংলাদেশ” স্বাধীন হয়েছে।তোমার কথা মিথ্যে প্রমাণিত হয়েছে।”

বঙ্গবন্ধু ‘বাঙালি ও বাংলাদেশকে’ প্রচন্ড গর্বে অহংকার আর আত্মবিশ্বাসে বেঁধেছিলেন।তাই কবিগুরুর এই “হেন চরণ” কেও “বঙ্গবন্ধু” তীর্যক প্রশ্নবাণে প্রচন্ড প্রশ্নবিদ্ধ করেছিলেন।কিন্তু “বাঙালি” যদিও তখন বিপথগামী ছিলো,কার্যত তারা “পিতা মুজিবের” অহংকারের সেই জায়গায় কখনো স্থান’করে নিতে পারেনি।বরং বিপথগামীরা অযাচিত’ভাবে বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে” নির্বিচারে স্বপরিবারে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে।

তবুও কিছু হত্যা শুধু হত্যাই করতে পারে কখনো বিনাশ করতে পারেনা-রেখে যায় “কষ্ট-স্মৃতি” আর বিপ্লবী রক্ত।কিছু “মৃত্যু” থাকে যা আমৃত্যু লাখো কোটি হৃদয়ে অবিনশ্বর “চির-স্মরণে”।পাশাপাশি সে “অযাচিত-মৃত্যু” ভবিষ্যতের তীর্যক “গণ-বিদ্রোহের” ইঙ্গিত দেয় এবং কাম্য ফলাফল প্রকাশ করে।

“বঙ্গপিতার” সেই বিপ্লবী “আদর্শ-রক্তই” আজকের এই “চিরদুঃখী-দেশরত্ন”,আজ তাঁর হাতেই “বাংলাদেশ” আর কোটি বাঙালির “স্বপ্ন-ভাগ্য”।তাই নিশ্চিন্ত ভরসায় আজো “তাঁর চোখেই” স্বপ্ন দেখি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সে “সোনার-বাংলা” তথা আমাদের কাঙ্ক্ষিত অত্যাধুনিক “ডিজিটাল-বাংলাদেশ”।

🌷আজ “১৭ই মে ২০১৭ সাল”🌷
■ বঙ্গবন্ধু কন্যার “স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে” আমরা নিলাম এক কঠিন “দৃপ্ত-শপথ”।
•আবারো জাগাবো “বাঙালিয়ানা” গড়তে প্রাণের স্বদেশ
•আবারো জন্মাবো “নতুনত্ব ও পুনর্জন্মে”-করবো লড়াই

■ আবারো একটি যুদ্ধ হবে-
•এ যুদ্ধ “চেতনা জয়ের-আদর্শ লালনের” যুদ্ধ
•এ যুদ্ধ বাঙালির “নতুনত্ব ও পুনর্জন্মের” যুদ্ধ
•এ যুদ্ধ “বাংলার ভাগ্যাকাশ কলঙ্ক মুক্তির” যুদ্ধ
•এ যুদ্ধ “বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার” যুদ্ধ
•এ যুদ্ধ “দেশরত্নের কাঙ্ক্ষিত ভিশন বাস্তবায়নের” যুদ্ধ
•এ যুদ্ধ “কবিগুরু কে ভুল প্রমাণ করে আবার বাঙালির মানুষ হওয়ার” যুদ্ধ

এই “সভ্যযুগে” এই “নব্য-যুদ্ধে” সর্বত্রই সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন বঙ্গ’পিতার বিপ্লবী রক্ত বঙ্গকন্যা “শেখ হাসিনা”।আর তাই……
•জয় হবে “সোনার-বাংলার”
•বিজয়ী “কোটি বীর বাঙালি”
♡ তাই আমরা বাঙালি নিশ্চয়ই বলতেই পারি
♡ প্রচন্ড আস্থায় পরম ভরসায় বিশ্বাস রাখতেই পারি
♡ গর্ব-অহংকারে অন্তর মন বাঁধতেই পারি

■ আজ তাই আমি বলবোই,আমার বিশ্বাস আছে-
♡যতদিন “বঙ্গকন্যার” হাতে “দেশ” ততদিন সর্বোচ্চ নিরাপদ আপামর “১৬ কোটি বাঙালি”
♡”বঙ্গবন্ধুর রক্তেই” বিশ্বাসী বাঙালির “ভাগ্যাকাশ”, “বঙ্গকন্যাই” রাখিবে “স্বদেশ” সদাই “রাহু-মুক্ত”
♡”তাঁর” হাতেই শোভা পায় আমাদের “রক্তার্জিত-স্বদেশ” তিঁনিই রেখেছেন “দেশ” সর্বাগ্রে সুরক্ষিত
¤তাই পিতা হারিয়েও আমরা আজন্ম গর্বিত,চির উন্নত।

■”১৭ই মে”>>
•”দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস” •”বাঙালির নতুনত্ব ও পুনর্জন্মের দিন”

■ তাই এই দিনেই>>
•তীব্র নতুনত্বে অন্তরে আদর্শিক “বাঙালিয়ানা” জাগান
•”পুনর্জন্মে” এবং চেতনায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের “সোনার-বাংলা” গড়ার দৃপ্ত শপথ নিন

■ আমাদের মনে রাখতে হবে>>
যদি বাঁচে প্রাণে “মুজিব-কন্যা” দেশরত্ন “শেখ হাসিনা”
আমরা বাঙালি সর্বোচ্চ সুরক্ষিত,ভীত নই-ভয় করিনা
তাঁর হাতেই রক্ষিত থাক নিরাপদ আমাদের “বাংলাদেশ”
তিনিই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রক্ত “বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা”

আরাধনায় তোমার- একজন “কর্মী-রকিব” বারেবার!

সর্বশেষ