শিরোনাম

“৭১’ ও ৭৫’ সালের পরাজিত কুশীলবরা’ই ‘২০০৪’ সালেও স্বরূপ হয়েছিলো”!

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬:৪২:২৪ পূর্বাহ্ণ - ২১ আগস্ট ২০১৮ | ১,২৫৭

রিপোর্টঃ মেরাজ উদ্দিন বাপ্পি- একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার মামলায় তারেক রহমান ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামির মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিব।

সোমবার (২০ আগস্ট) রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্তরে বিক্ষোভ সমাবেশে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিব বলেন- 

বাংলাদেশ যত সংকট তার বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আরোপিত এবং পরিকল্পিত!  দুর্ভাগ্যজনক এই প্রক্রিয়ায় স্বাধীনতা ও সমাজ প্রগতির চিহ্নিত প্রতিপক্ষরা শক্তি সঞ্চয় করেছে!  একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতেই; খোলস বদলে পঁচাত্তরের কুশীলব হয়েছিলো! “১৯৭৫ সালে স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যার মধ্য দিয়ে যার যাত্রা শুরু করা হয়! “একাত্তরের ইতিহাসের প্রতি বৈরিতা ও পঁচাত্তরের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা দুটি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্বাভাবিক অগ্রযাত্রার মূল প্রতিবন্ধক”!

ওরা ভেবেছিল রাষ্ট্রপিতার হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সদ্য স্বাধীন দেশের সকল অর্জন ধূলিস্যাৎ করা সম্ভব হবে! হয়তো তারা এও চেয়েছিল, মুসলমান প্রধান একটি জনপদে “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান” যে আধুনিক এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের গুড়াপত্তন করার সাফল্য দেখিয়েছেন, তাকে আঁতুড়ঘরেই গলা টিপে হত্যা করলেই তাদের চাওয়া বাস্তবায়ন সম্ভব হবে! শেষ পর্যন্ত ঐ সব পরাজিত শক্তির সে আশা পূরণ হয়নি-! সেই লক্ষে, পূর্ব পরিকল্পিত উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন ও পরাজয়ের জেদ শাসনের ধারাবাহিক পর্ব সরূপ- ‘২০০৪ সালের ২১’ আগস্ট” আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে “আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে” হত্যার ষরযন্ত্রই করা হয়েছিলো!

এর আগে ২০০৪ সালের ২১’ আগস্ট” আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় নিহত সকল শহীদদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নিরবতা পালন ও মোমবাতি প্রজ্জলন করা হয়। সেই সাথে ময়মনসিংহ্ জেলা ছাত্রলীগ এর পক্ষ থেকে গ্রেনেড হামলার সকল ষরজন্ত্রকারী ও খুনীদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান ছাত্রলীগের এই সভাপতি মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিব। 

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আইভি রহমানসহ ২২ জন নিহত এবং তখনকার বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন৷ ঐ ঘটনায় হত্যাসহ দু’টি মামলা হয়৷ পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে সাবেক ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে বিশেষ এজলাসে মামলা দু’টির বিচার চলছে৷ মামলা দু’টি হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে৷

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর