শিরোনাম

১৭ দিনে ২৩ নৌকাডুবি, ১১২ রোহিঙ্গা নিহত

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২:১৪:৪১ পূর্বাহ্ণ - ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ১৫৪

২৯ আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ১৭ দিনে নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরে ২৩টি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এসব নৌকাডুবির ঘটনায় ১১২ জনের রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৭টি শিশু, ৩২ জন নারী ও ২৩ জন পুরুষের মৃতদেহ রয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাইনুদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ১৬ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে সাবরাং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপির সদস্য নুরু আমিনের নেতৃত্বে সৈকত এলাকা থেকে আরও এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশটিতে পচন ধরায় দাফন করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

মাইনুদ্দিন খান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ও বেলা ১টার দিকে শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিমপাড়া সৈকতে সাগরে দুটি নৌকাডুবি হয়। ওই দুটি নৌকাডুবির যেকোনো একটিতে ওই নারী থাকতে পারেন এমন ধারণা করা হচ্ছে। পোশাক দেখে ওই রোহিঙ্গা নারীকে চিহ্নিত করা গেছে। সাগরে নৌকাডুবিতে ওই নারীর মৃত্যু হতে পারে।

টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম আরিফুল ইসলাম জানান, কয়েকজন অসাধু মাঝি টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ করাচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি তাদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। যারা নদী ও সাগর পার হয়ে ঢুকে পড়েছে, তাদের একত্র করে স্থায়ীভাবে টেকনাফের হোয়াইকং পুটিবুনিয়া অস্থায়ী ক্যাম্পে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তত্ত্বাবধানে নেয়া হয়েছে।

পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি এসএম মনির-উজ-জামান শনিবার চট্টগ্রাম নগরীতে এক মতবিনিময় সভায় জানান, নির্যাতিত হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা যেন দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে লক্ষ্যে ২৭টি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

সর্বশেষ