শিরোনাম

‘সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বিদায়ে ময়মনসিংহ শোকস্তব্ধ’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯:২৮:৪৩ অপরাহ্ণ - ০৬ জানুয়ারি ২০১৯ | ১৫০

মো. মেরাজ উদ্দিন বাপ্পী, ময়মনসিংহ : ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি জন্মেছিলেন। চিরতরে চোখ বুজলেন সেই জানুয়ারির তৃতীয় দিনেই। ৬৭ বছর বয়সে না ফেরার দেশেই চলে গেলেন এই কিংবদন্তি রাজনীতিক। তার মৃত্যুতে এখন গোটা ময়মনসিংহেই শোকের ছায়া। বিষণ্নতায় ভরে গেছে দলীয় নেতাকর্মীদের মুখ।

জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলামের স্মৃতির শহর। এখন তার অকাল প্রয়াত ছেলে বৃহত্তর ময়মনসিংহ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্মৃতির শহর ময়মনসিংহ।

জানা গেছে, ১৯৬৪ সালের দিকে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বাবা দেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম নগরীর কলেজ রোড এলাকায় একটু জমি কিনে টিনশেড নির্মাণ করে নিয়মিত বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে তিন রুমের টিনশেডের বাড়িটি পাকা করা হয়। এটি এখন দোতলা একটি বাড়ি। মূলত এ বাড়িকে ময়মনসিংহের সংগ্রামী রাজনৈতিক ঐতিহ্য এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাবেক মেয়র মো: ইকরামুল হক টিটু বলেন, সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে ময়মনসিংহসহ দেশ একজন ত্যাগী নেতাকে হারালো। তার এমন মৃত্যু মেনে নেওয়াটা অনেক কঠিন। এসময় তিনি সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

স্তব্ধ নির্বাক হয়ে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিব বলছিলেন, চাচার মধ্যে কোনো অহংকার ছিলো না। সাদামাটা জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিলেন সাবেক এই জনপ্রশাসনমন্ত্রী। তার মৃত্যুতে পুরো ময়মনসিংহ আজ শোকস্তব্ধ।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আনন্দ মোহন কলেজ শাখার আহ্বায়ক মো. মাহমুদুল হাসান সবুজ বলেন, এত বড় একজন রাজনীতিক, মন্ত্রী হয়েও সাধারণ ছিলেন তিনি (সৈয়দ আশরাফ)। কোনো ভোগ বিলাস কিচ্ছু ছিলো না তার।

সর্বশেষ