শিরোনাম

সুদীর্ঘ ৪৭’ বছর পর দায় মুক্তির পথে “আনন্দ মোহন কলেজ”

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২:৪১:৩১ পূর্বাহ্ণ - ১০ আগস্ট ২০১৮ | ২,১০২
কিছু দায় আছে যা ইচ্ছে করলেই কখনো এড়ানো যায় না-!
৫২’ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমিক ভাবে আমাদের এই বঙ্গভূমির স্বাধীনতা অর্জনের তরে ১৯৭১’ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধসহ অদ্যাবদি বাংলাদেশের সকল লড়াই, সংগ্রাম, আন্দোলন ও অর্জনে বৃহত্তর ময়মনসিংহের সর্ব বৃহৎ বিদ্যাপিঠ ঐতিহ্যবাহী আনন্দ মোহন কলেজ এর শিক্ষার্থীদের অবদান অনস্বীকার্য!
ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি,
মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিব; ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজের নবনির্মিত ‘মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সৌধ’ প্রসঙ্গে তার ফেসবুকে করা এক ষ্টেটাস পোস্টে আরও যা লিখেন; -নিচে তা হুবহু তলে ধরা হল।
 
সেই ধারাবাহিকতায়, যে দায় থেকে আমাদের পূর্বসূরীরা এই দেশ মাতৃকার জন্য নিজেদের সর্বোচ্চ ত্যাগ দিয়ে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এই স্বাধীন বাংলাদেশ দিয়ে গেছেন-!
আর তাদের সেই মহান আত্মত্যাগের দায়টুকু আমাদের বর্তমান প্রজন্ম এড়ানোর সামান্যতম সুযোগ‌ও নেই।
স্বাধীনতার সুদীর্ঘ ৪৭’ বছর পর আমাদের অগ্রজদের ত্যাগের দায় আমরা আনন্দ মোহন কলেজ আজো বহন করে যাচ্ছি!
দায়ের বিষয়বস্তুটি হল রনাঙ্গনের সেই সকল বীর শহীদদের স্বরণে অত্র কলেজে এমন কোন স্তম্ভ বা ফলক ছিলো না! যে স্থানে আমরা অত্র কলেজ সতন্ত্র ভাবে জাতির বীর শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করবো!
যা আমাদের প্রতিটি শিক্ষার্থীদের মনের সুশিক্ষায় অসম্পূর্ণ অংশমান ছিলো!
 
আজ ২০১৮’তে সেই কাংক্ষিত মাহেন্দ্র ক্ষন; শুরু হল মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সৌধ নির্মান কাজ।
আর তাই, এরই মধ্যদিয়ে আজ মনে হচ্ছে আমরা বর্তমান প্রজন্ম সে দায় থেকে কিছুটা হলেও আমাদের প্রাপ্ত দায় থেকে মুক্ত হয়েছি!
আর তা সম্ভব হয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ/বঙ্গবন্ধু তনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় বলে।
 
• কৃতজ্ঞতা জানাই, আমাদের মমতাময়ী জননী স্নেহময়ী ভগিনী বিশ্বনেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি!
 
• ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই, মুক্তিযুদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হোসেন মহোদয়ের প্রতি! এ দাবী আদায়ে আপনার অকুন্ঠক ভূমিকায়।
 
• পাশাপাশি ধন্যবাদ জানাই মান্যবর অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ।
 
• ধন্যবাদ জানাই এস বি মনির ভাইকে আমাদের সহযোগিতা করায়।
 
• অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি অত্র কলেজের পূর্বাপর সকল শিক্ষার্থী তথা ছাত্রলীগের ভাইদের প্রতি যারা ২০০৮-২০১৮ ইং পর্যন্ত সার্বজনীন এই দাবি আদায়ের লক্ষ্যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আমার পাশে থেকে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা ও সাহস যুগিয়েছেন!
 
“লক্ষ ত্যাগের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়েছে আজ
মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সৌধ
গর্বে গৌরবে বহমান তব স্বার্থহীন হিরক রক্ত!”
 
অশেষ ধন্যবাদ ও সীমাহীন কৃতজ্ঞতা জানবেন
ভালো থাকবেন ভালো রাখবেন
 
জয় বাংলা       জয় বঙ্গবন্ধু
জয়তু-বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা
জয়তু- বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাগ্রত সারাবাংলা!
 
মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিব
সভাপতি,
ময়মনসিংহ্ জেলা ছাত্রলীগ
সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর