শিরোনাম

‘সিঙ্গেল’ থাকার উপকারিতাই বেশি

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১:২২:১৯ পূর্বাহ্ণ - ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | ৫০

আপনি কি এখনও সিঙ্গেল? এ বছরের ভালোবাসা দিবসে কি একাকীত্ব কাটানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন? তাহলে একটু অপেক্ষা করুন। এই প্রতিবেদন আপনার চিন্তাধারা বদলেও দিতে পারে। কেননা, বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক গবেষণার রিপোর্ট বলছে, সিঙ্গেল থাকার একাধিক সুবিধা রয়েছে।

আমেরিকার ক্যালিফর্নিয়ার স্যান্টা বারবারার মনোবিজ্ঞানী বেলা দেপাওলো তার গবেষণার কথা বিভিন্ন দেশে তুলে ধরেছেন। তার তত্ত্ব খারিজ করতে পারেননি বিশ্বের অনেক মনোবিজ্ঞানীই। সিঙ্গেল থাকার পক্ষে জোরালো যুক্তি দাঁড় করিয়েছেন তিনি। তার গবেষণার বিভিন্ন দিকগুলোর দিকে নজর রাখা যাক।

সিঙ্গেলদের সোশ্যাল নেটওয়ার্ক শক্তিশালী

২০১৫ সালে সমাজবিজ্ঞানী নাতালিয়া সারকিসিয়ান ও নওমি গার্স্টেল বিবাহিত ও অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্কদের আত্মীয়-স্বজন প্রতিবেশী ও বন্ধুবান্ধবদের মেলামেশার একটি পার্থক্য তুলে ধরেছিলেন। তাদের গবেষণায় দেখা গিয়েছিল, অবিবাহিতদের সোশ্যাল নেটওয়ার্ক শুধু যে শক্তিশালী তা নয়, তারা সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষকে সহযোগিতা দেয়া ও পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক বেশি সহজলভ্য। যেটা বিবাহিতদের ক্ষেত্রে দেখা যায় না।

অবিবাহিতরা সাধারণত বেশি ফিট হন

বিয়ের পর বহু মানুষের অস্বাস্থ্যকর কিছু অভ্যাস জীবনযাত্রায় যুক্ত হয়, যা তাদের শারীরিক ফিটনেসে ব্যাঘাত ঘটায়। ১৮ থেকে ৬৪ বছরের ১৩ হাজার মানুষের মধ্যে সমীক্ষা চালিয়ে গবেষকরা দেখেছেন, যারা অবিবাহিত তাদের মধ্যে নিয়মিত ওয়ার্ক-আউট করার অভ্যাস বেশি। যে প্রবণতা বিবাহিত ও ডিভোর্সিদের মধ্যে তুলনামূলক কম।

২০১৫ সালে সোশ্যাল সায়ান্স এন্ড মেডিসিনে প্রকাশিত একটি পত্রিকায় বিবাহিত ও অবিবাহিতদের বডি মাস ইনডেক্স নিয়ে একটি গবেষণার রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছিল। তাতে দাবি করা হয়, ৯টি ইউরোপিয় দেশের ৪৫০০ লোকের উপর সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, বিবাহিতদের থেকে অবিবাহিতদের বিএমআই গড়ে কম। এছাড়া বিবাহিতদের ওজন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অবিবাহিতদের চেয়ে ৪-৫ পাউন্ড বেশি থাকে বলেও রিপোর্টে দাবি করা হয়।

সিঙ্গেলরা ব্যক্তিসত্ত্বার অগ্রগতিতে বেশি সক্ষম

বিভিন্ন গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, স্বাধীন জীবনযাত্রা সৃজনশীলতার মাত্রা বাড়িয়ে ব্যক্তিসত্ত্বার অগ্রগতিতে সহায়তা করে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অ্যামি মোরিনের দাবি, একাকী সময় ব্যক্তির উৎপাদনক্ষমতা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। তার কথায়, ‘একাকী সময় একাকীত্ব আনে না। বরং নিজেকে আরও সুন্দরভাবে বুঝতে সাহায্য করে।’

২০১৬ সালে আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে তার দেয়া প্রেজেন্টেশনে তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরে দেপাওলো দাবি করেছিলেন, অবিবাহিত ব্যক্তিদের অনুভূতি অনেক গভীর। তাদের নিজেদের উপর আস্থাও অনেক বেশি থাকে। বিবাহিতদের থেকে তাদের মানসিক বিকাশের সুযোগও অনেক বেশি। সূত্র: এই সময়

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর