শিরোনাম

ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির -৩ শম্ভুগঞ্জ আঞ্চলিক অফিসটি নানা দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য !

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২:৩২:৪৯ পূর্বাহ্ণ - ২৮ মে ২০১৮ | ১৬৫

বিশেষ প্রতিবেদন:নতুন সংযোগ প্রদান, লাইন মেরামত, মিটার ও ট্রান্সফরমার পরিবর্তন, বিল গ্রহন ও প্রদান, বৈদ্যুতিক মালামাল সরবরাহসহ সব ক্ষেত্রেই আদায় করা হয় অতিরিক্ত অর্থ। এক কথায় উৎকোচ ছাড়া কোনো কাজই হয়না এখানে
পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ইলেক্ট্রিশিয়ানদের দৌরাত্মে প্রতিদিনই নাজেহাল হচ্ছে এর জোনাল অফিসটির অধীন সদর, গৌরীপুর, ফুলপুর,তারাকান্দা, ধোবাউড়া ও হালুয়াঘাট উপজেলার হাজার হাজার গ্রাহক। স্বাভাবিক নিয়মে কোনো সেবাই পাওয়া যাচ্ছে না এখান থেকে। অথচ গ্রাহক সেবার নামে ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার টাকা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির -৩ শম্ভুগঞ্জ জোনাল অফিসের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার নেতৃত্বে গ্রাহক সেবার নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে, এখানে দীর্ঘদিন ধরেই সক্রিয় রয়েছে একটি অর্থ আদায় সিন্ডিকেট। এর মধ্যে ঘর জামাই হাবিব, ঠিকাদার খাজা ও তাদের পোষ্য সন্ত্রাসী ফজলু সদর, গৌরীপুর ও তারাকান্দা এলাকায় গ্রাহক সেবার নামে চাঁদাবাজী করে । এদের রয়েছে বহু পেশা। কখনো পুলিশের সোর্স, কখনো গুন্ডা, কখনো আবার সাংবাদিক। ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির-৩ শম্ভুগঞ্জ এর সভাপতি আবুল কালাম সর্ব কাজের কাজি ! টাকার গন্ধ পেলেই জিএম থেকে শুরু করে সবার বস বনে যান । তিনিই নাকি এই অফিসের সর্বসর্বা। সব নাকি তার হাতদিয়ে হয়। গ্রাহকদের কাছ থেকে এভাবেই তিনি চাঁদাবাজি করেন বলে অভিযোগ। কোন গ্রাহক উক্ত অফিসে সেবা পাবার জন্য আসা মানে অতিরিক্ত অর্থ দন্ড।
সমস্যা পড়ে কোনো গ্রাহক এ অফিসে আসলে পাঠিয়ে দেয়া হয় সিন্ডিকেট সদস্যদের কাছে।তারা নানা সমস্যার কথা বলে প্রথমেই গ্রাহককে ভয় পাইয়ে দেন। এরপর প্রস্তাব দেন টাকার। টাকা না দিলে বিদ্যুৎ আইনের ফাঁক-ফোকর দেখিয়ে কখনও মামলা, কখনও সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কখনও জরিমানাসহ নানা ভয় দেখানো হয় আগতদের। এদের মধ্যে দালাল হাবিব পটু। সে নাকি পুলিশেরও দালাল। তার এলাকায় লোক ধরানো ছাড়ানো নাকি তারই কাজ । এর প্রতিকারের জন্য অফিসের কর্মকর্তাদের কাছে গেলে সংশি¬ষ্ট গ্রাহককে জানানো হয়, তারা অসহায়, তাদের করার কিছুই নেই। কম-বেশী করে সমাধান করে নেয়ার পরামর্শ দেন তারা। এতে বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত টাকা গুনতে হয় গ্রাহককে।
নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে মিটার, আর্থিং রডসহ মালামাল নেই এমন অজুহাতে সিএমও (কনজুমার মিটার অর্ডার) হওয়া শত শত গ্রাহককে ঘুরানো হয় মাসের পর মাস। অথচ দুই থেকে তিন হাজার টাকা অতিরিক্ত দিলেই সব কিছুই পাওয়া যায় নগদে। এছাড়া নতুন সংযোগের জন্য শুধু আবেদন করলেই হবে না। এর জন্য ওই সিন্ডিকেটের সদস্যদের সাথে চুক্তি করতে হবে। নইলে লাইন পাওয়া যাবে না। বিজয় নগরের শত শত লোক জানান, নতুন লাইন টানার কথা বলে জিএম এর নামে ১৫ লাখ টাকা চাদাবাজী করেছেন এই চক্র। নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে পোল থেকে মিটারের দুরত্ব ১০০ মিটার দুরত্বের মধ্যে এবং সংযোগটি সংশ্লিষ্ট ট্রান্সফরমারের ক্যাপাসিটি মধ্যে বাধ্যতামুলক হতে হবে এমন সব শর্তে কাগজ পত্র ঠিক থাকলেও আবাসিক সংযোগ প্রতি ১২ হাজার থেকে ২০ হাজার এবং বাণিজ্যিক সংযোগের ক্ষেত্রে এর ২/৩ গুন করে বেশী টাকা নেয়া হয় ।

ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির -৩ শম্ভুগঞ্জ আঞ্চলিক অফিসটি নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে ।

নতুন সংযোগ প্রদান, লাইন মেরামত, মিটার ও ট্রান্সফরমার পরিবর্তন, বিল গ্রহন ও প্রদান, বৈদ্যুতিক মালামাল সরবরাহসহ সব ক্ষেত্রেই আদায় করা হয় অতিরিক্ত অর্থ। এক কথায় উৎকোচ ছাড়া কোনো কাজই হয়না এখানে।
পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ইলেক্ট্রিশিয়ানদের দৌরাত্মে প্রতিদিনই নাজেহাল হচ্ছে এর জোনাল অফিসটির অধীন সদর, গৌরীপুর, ফুলপুর,তারাকান্দা, ধোবাউড়া ও হালুয়াঘাট উপজেলার হাজার হাজার গ্রাহক। স্বাভাবিক নিয়মে কোনো সেবাই পাওয়া যাচ্ছে না এখান থেকে। অথচ গ্রাহক সেবার নামে ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার টাকা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির -৩ শম্ভুগঞ্জ জোনাল অফিসের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার নেতৃত্বে গ্রাহক সেবার নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে, এখানে দীর্ঘদিন ধরেই সক্রিয় রয়েছে একটি অর্থ আদায় সিন্ডিকেট। এর মধ্যে ঘর জামাই হাবিব, ঠিকাদার খাজা ও তাদের পোষ্য সন্ত্রাসী ফজলু সদর, গৌরীপুর ও তারাকান্দা এলাকায় গ্রাহক সেবার নামে চাঁদাবাজী করে । এদের রয়েছে বহু পেশা। কখনো পুলিশের সোর্স, কখনো গুন্ডা, কখনো আবার সাংবাদিক। ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির-৩ শম্ভুগঞ্জ এর সভাপতি আবুল কালাম সর্ব কাজের কাজি ! টাকার গন্ধ পেলেই জিএম থেকে শুরু করে সবার বস বনে যান । তিনিই নাকি এই অফিসের সর্বসর্বা। সব নাকি তার হাতদিয়ে হয়। গ্রাহকদের কাছ থেকে এভাবেই তিনি চাঁদাবাজি করেন বলে অভিযোগ। কোন গ্রাহক উক্ত অফিসে সেবা পাবার জন্য আসা মানে অতিরিক্ত অর্থ দন্ড।
সমস্যা পড়ে কোনো গ্রাহক এ অফিসে আসলে পাঠিয়ে দেয়া হয় সিন্ডিকেট সদস্যদের কাছে।তারা নানা সমস্যার কথা বলে প্রথমেই গ্রাহককে ভয় পাইয়ে দেন। এরপর প্রস্তাব দেন টাকার। টাকা না দিলে বিদ্যুৎ আইনের ফাঁক-ফোকর দেখিয়ে কখনও মামলা, কখনও সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কখনও জরিমানাসহ নানা ভয় দেখানো হয় আগতদের। এদের মধ্যে দালাল হাবিব পটু। সে নাকি পুলিশেরও দালাল। তার এলাকায় লোক ধরানো ছাড়ানো নাকি তারই কাজ । এর প্রতিকারের জন্য অফিসের কর্মকর্তাদের কাছে গেলে সংশি¬ষ্ট গ্রাহককে জানানো হয়, তারা অসহায়, তাদের করার কিছুই নেই। কম-বেশী করে সমাধান করে নেয়ার পরামর্শ দেন তারা। এতে বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত টাকা গুনতে হয় গ্রাহককে।
নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে মিটার, আর্থিং রডসহ মালামাল নেই এমন অজুহাতে সিএমও (কনজুমার মিটার অর্ডার) হওয়া শত শত গ্রাহককে ঘুরানো হয় মাসের পর মাস। অথচ দুই থেকে তিন হাজার টাকা অতিরিক্ত দিলেই সব কিছুই পাওয়া যায় নগদে। এছাড়া নতুন সংযোগের জন্য শুধু আবেদন করলেই হবে না। এর জন্য ওই সিন্ডিকেটের সদস্যদের সাথে চুক্তি করতে হবে। নইলে লাইন পাওয়া যাবে না। বিজয় নগরের শত শত লোক জানান, নতুন লাইন টানার কথা বলে জিএম এর নামে ১৫ লাখ টাকা চাদাবাজী করেছেন এই চক্র। নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে পোল থেকে মিটারের দুরত্ব ১০০ মিটার দুরত্বের মধ্যে এবং সংযোগটি সংশ্লিষ্ট ট্রান্সফরমারের ক্যাপাসিটি মধ্যে বাধ্যতামুলক হতে হবে এমন সব শর্তে কাগজ পত্র ঠিক থাকলেও আবাসিক সংযোগ প্রতি ১২ হাজার থেকে ২০ হাজার এবং বাণিজ্যিক সংযোগের ক্ষেত্রে এর ২/৩ গুন করে বেশী টাকা নেয়া হয় ।

ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির -৩ শম্ভুগঞ্জ আঞ্চলিক অফিসটি নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে ।

নতুন সংযোগ প্রদান, লাইন মেরামত, মিটার ও ট্রান্সফরমার পরিবর্তন, বিল গ্রহন ও প্রদান, বৈদ্যুতিক মালামাল সরবরাহসহ সব ক্ষেত্রেই আদায় করা হয় অতিরিক্ত অর্থ। এক কথায় উৎকোচ ছাড়া কোনো কাজই হয়না এখানে।
পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ইলেক্ট্রিশিয়ানদের দৌরাত্মে প্রতিদিনই নাজেহাল হচ্ছে এর জোনাল অফিসটির অধীন সদর, গৌরীপুর, ফুলপুর,তারাকান্দা, ধোবাউড়া ও হালুয়াঘাট উপজেলার হাজার হাজার গ্রাহক। স্বাভাবিক নিয়মে কোনো সেবাই পাওয়া যাচ্ছে না এখান থেকে। অথচ গ্রাহক সেবার নামে ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার টাকা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির -৩ শম্ভুগঞ্জ জোনাল অফিসের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার নেতৃত্বে গ্রাহক সেবার নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে, এখানে দীর্ঘদিন ধরেই সক্রিয় রয়েছে একটি অর্থ আদায় সিন্ডিকেট। এর মধ্যে ঘর জামাই হাবিব, ঠিকাদার খাজা ও তাদের পোষ্য সন্ত্রাসী ফজলু সদর, গৌরীপুর ও তারাকান্দা এলাকায় গ্রাহক সেবার নামে চাঁদাবাজী করে । এদের রয়েছে বহু পেশা। কখনো পুলিশের সোর্স, কখনো গুন্ডা, কখনো আবার সাংবাদিক। ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির-৩ শম্ভুগঞ্জ এর সভাপতি আবুল কালাম সর্ব কাজের কাজি ! টাকার গন্ধ পেলেই জিএম থেকে শুরু করে সবার বস বনে যান । তিনিই নাকি এই অফিসের সর্বসর্বা। সব নাকি তার হাতদিয়ে হয়। গ্রাহকদের কাছ থেকে এভাবেই তিনি চাঁদাবাজি করেন বলে অভিযোগ। কোন গ্রাহক উক্ত অফিসে সেবা পাবার জন্য আসা মানে অতিরিক্ত অর্থ দন্ড।
সমস্যা পড়ে কোনো গ্রাহক এ অফিসে আসলে পাঠিয়ে দেয়া হয় সিন্ডিকেট সদস্যদের কাছে।তারা নানা সমস্যার কথা বলে প্রথমেই গ্রাহককে ভয় পাইয়ে দেন। এরপর প্রস্তাব দেন টাকার। টাকা না দিলে বিদ্যুৎ আইনের ফাঁক-ফোকর দেখিয়ে কখনও মামলা, কখনও সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কখনও জরিমানাসহ নানা ভয় দেখানো হয় আগতদের। এদের মধ্যে দালাল হাবিব পটু। সে নাকি পুলিশেরও দালাল। তার এলাকায় লোক ধরানো ছাড়ানো নাকি তারই কাজ । এর প্রতিকারের জন্য অফিসের কর্মকর্তাদের কাছে গেলে সংশি¬ষ্ট গ্রাহককে জানানো হয়, তারা অসহায়, তাদের করার কিছুই নেই। কম-বেশী করে সমাধান করে নেয়ার পরামর্শ দেন তারা। এতে বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত টাকা গুনতে হয় গ্রাহককে।
নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে মিটার, আর্থিং রডসহ মালামাল নেই এমন অজুহাতে সিএমও (কনজুমার মিটার অর্ডার) হওয়া শত শত গ্রাহককে ঘুরানো হয় মাসের পর মাস। অথচ দুই থেকে তিন হাজার টাকা অতিরিক্ত দিলেই সব কিছুই পাওয়া যায় নগদে। এছাড়া নতুন সংযোগের জন্য শুধু আবেদন করলেই হবে না। এর জন্য ওই সিন্ডিকেটের সদস্যদের সাথে চুক্তি করতে হবে। নইলে লাইন পাওয়া যাবে না। বিজয় নগরের শত শত লোক জানান, নতুন লাইন টানার কথা বলে জিএম এর নামে ১৫ লাখ টাকা চাদাবাজী করেছেন এই চক্র। নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে পোল থেকে মিটারের দুরত্ব ১০০ মিটার দুরত্বের মধ্যে এবং সংযোগটি সংশ্লিষ্ট ট্রান্সফরমারের ক্যাপাসিটি মধ্যে বাধ্যতামুলক হতে হবে এমন সব শর্তে কাগজ পত্র ঠিক থাকলেও আবাসিক সংযোগ প্রতি ১২ হাজার থেকে ২০ হাজার এবং বাণিজ্যিক সংযোগের ক্ষেত্রে এর ২/৩ গুন করে বেশী টাকা নেয়া হয় ।

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর