শিরোনাম

ময়মনসিংহের কৃষ্ণচূড়া চত্বর থেকে বেড়ে উঠা সময়ের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর-!

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২:১০:০২ অপরাহ্ণ - ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ৯১

ময়মনসিংহ কৃষ্ণচূড়া চত্বর থেকে বেড়ে উঠা সময়ের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের পরিচ্ছন্ন ছাত্ররাজনীতির মূল হোতা,মেধা মনন আর শৈলতার পরিপ্রেক্ষিতে চিন্তা বাক্য কর্মে সকল গুণে মাধুর্যমন্ডিত এক জীবন্ত কিংবদন্তী ছাত্রনেতার নাম মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিব

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর ক্রান্তিকালে,একাত্তরের ঘাতক দালাল জামাতের সাথে জোট বাধা নরপিশাচ বিএনপির জ্বালাও পোড়াও এর সকল অপশক্তির মোকাবেলা করে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের হারানো প্রাণ ফিরিয়ে আনেন তিনি।

সকল কর্মগুণ আর ত্যাগ তিতিক্ষার বিনিময়ে নির্বাচিত হন আনন্দ মোহন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি। সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার মাত্র কয়েকদিন পরেই জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে যখন নেতৃত্ব দেওয়ার মত কোন নেতা খুজে পাওয়া যাচ্ছিল না তখন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ কলেজ শাখা ছাত্রলীগের প্রাণ-ভোমরা রকিবের নেতৃত্বগুণে মহিমান্বিত হয়ে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করেন।
দায়িত্ব পাওয়ার পরপরেই তিনি রাখাল রাজার মত মাঠে ঘাটে চষে বেড়িয়ে ময়মনসিংহ জেলাধীন সকল উপজেলা, পৌরসভা,ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড লেভেলের ছাত্রলীগ সংগঠন শক্তিশালী করেন।
২০১৪ সালে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত ঐতিহাসিক ছাত্র সমাবেশে  বিশাল ছাত্রের বহর নিয়ে সমাবেশ সাফল্যমণ্ডিত করেন। নির্বাচিত হন বাংলাদেশের তৃতীয় শ্রেষ্ঠ সংগঠক।

আইসিইউতে থাকা ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগে প্রাণ ফিরিয়ে আনেন ছাত্রসমাজের প্রিয় মুখ,আমার রাজনৈতিক শিক্ষাগুরু রকিব।

ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগকে উজ্জীবিত করে নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে সেন্ট্রাল ছাত্রলীগকে একটি সুন্দর ও সফল জেলা ছাত্রলীগ ইউনিট উপহার দেন “রকিব”।
সারাদেশব্যপী সুনাম অর্জনকারী অন্যতম সংগঠক মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিবকে দ্বিতীয়বারের মত সভাপতি নির্বাচিত করে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্ব দেওয়া হয়।ইতিমধ্যে আপনারা সকলেই অবগত আছেন তে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৬৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের পুনর্মিলনী সমাবেশে লাখো লাখো ছাত্রের উপস্থিতিতে সমাবেশ সাফল্যমণ্ডিত হয়েছে।

যা প্রমাণ করে গেছেন উক্ত সমাবেশে আসা বিভিন্ন অতিথিবৃন্দ গন, বিশেষায়িত প্রধান অতিথি মাননীয় জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও মাননীয় ধর্ম মন্ত্রী আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রাহমান বলেছেন দ্যর্থহীন ভাবে বলছি অতিতেও কেও পারে নাই এবং আগামী একশত বছরেও কেও এমন ছাত্র সমাবেশ করতে পারবেনা।
এই তো কয়েকদিন আগে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার সভাপতির  বৃহৎ এই দায়িত্ব অর্পিত করেন ও তার যৌগ্যতা ও সততা দেখে তাকে ময়মনসিংহ বিভাগ এর (আসক) এর বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেন।

যা ইতিহাসের পাতায় চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে যুগ থেকে যুগান্তর।

তার বিচক্ষণ দূরদর্শীতা,বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও সাহসী পদক্ষেপের মাধ্যমে জেলা শাখার বিভিন্ন ইউনিটের দীর্ঘ দিনের কুক্ষিগত ক্ষমতায়নের শেকল ভেঙে নব রাজনীতির শুভ সূচনা হলো।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতার সুষম বন্টন বিশ্বাস করে।আওয়ামী লীগ সবসময় সর্বোচ্চ ত্যাগী এবং যোগ্য মানুষটির হাতেই দলীয় নেতৃত্ব অর্পণ করতে সর্বদা বদ্ধপরিকর আর এটাই আওয়ামী রাজনীতির এক দারুন সৌন্দর্য।মনে রাখবেন বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা তৃণমূলের সর্বশেষ ত্যাগী আর নির্যাতিত ছেলেটার খোঁজও রাখেন।তিঁনিই আদর্শ আর ত্যাগের সঠিক মূল্যায়ন করেন।

আওয়ামী রাজনীতির ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়- “বঙ্গবন্ধু থেকে বঙ্গকন্যা” সর্বত্রই চূড়ান্ত আদর্শিক আর সর্বোচ্চ ত্যাগীদেরই সর্বোত্তম মূল্যায়ন হয়েছে।

প্রচন্ড ত্যাগে দুঃখ দূর্দিনে রাজপথের লড়াই সংগ্রামে আর নির্মম নির্যাতনেই একজন গর্বিত “আওয়ামী কর্মীর” জন্ম হয়।তাই আওয়ামী রাজনীতি অনর্থক টাকার কাছে যাচ্ছেতাই বিক্রি হওয়ার নয়।

এরই ধারাবাহিকতায়…… ময়মনসিংহ রাজনীতির অবাক সৃষ্টি,বিস্ময় পুরুষ জনাব “রকিবুল ইসলাম রকিব” যিনি নিজেকে সর্বাগ্রে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার একজন সামান্য কর্মী মনে করেন তিনি সত্যিকার অর্থেই আওয়ামী নীতি আর আদর্শে গড়া পুরোদস্তুর একজন আওয়ামী অনুভূতির সন্তান।

তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ চেতনায় বিশ্বাস করেন,অন্তরে পুষে নিরন্তর লালন করেন এবং আওয়ামী অনুভূতি নিত্য খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করেন পাশাপাশি তিনি তাদেরকেই ভীষণ ভয় পান যাঁরা আদর্শ বেঁচে খায় আর নিঃশেষে আওয়ামী অনুভূতিকে নির্মম ভাবে আঘাত করে সত্যিকার ত্যাগীদের প্রশ্নবিদ্ধ করে।তিনি দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে সর্বদা শক্তিশালী করার জন্য সর্বত্র অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন।

তিনি ছুটেছেন ময়মনসিংহ জেলার প্রত্যেকটি উপজেলা,চষে বেড়িয়েছেন প্রত্যন্ত গ্রাম বাংলার প্রতিটি অলিগলি যেখানে তিনি ছড়িয়ে দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শমাখা অমর বাণী,বঙ্গকন্যার মায়াভরা আদেশ আর নিপুণ হাতে তুলে এনেছেন একেকটি “ত্যাগী-আদর্শ সন্তান”।

যাঁরা বর্তমান তথা ভবিষ্যতের দেশ গঠনে বঙ্গকন্যার হাতকে শক্তিশালী পূর্বক জাতি গঠনেও সম্যক ভূমিকা পালন করতে পারবে। তাই তো জনাব “রকিবুল ইসলাম রকিবের” সুদূরপ্রসারী চিন্তা ভাবনা এবং দক্ষ নেতৃত্ব গুণের মাধ্যমে “ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ” অতীতের যেকোনো সময়ের থেকে আজ অনেক বেশি শাণিত,শোভিত,প্রাণোচ্ছল আর সৌন্দর্যমণ্ডিত।

তাই যে যাই বলুক যতই নিন্দার ঝড় উঠুক আমি বিশ্বাস করি যতদিন জনাব “রকিবুল ইসলাম রকিবের” হাতে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের মহান পবিত্র দায়িত্ব অর্পিত থাকবে ততদিন আদর্শ আর ত্যাগীদেরই জয় হবে। কারণ রকিবুল ইসলাম রকিব বলেছেন- “নেতৃত্বে কর্মী তব মর্মে,নেতা বাঁচে তাঁর কর্মে”।

“জন্ম যাঁর দেশ গড়িবার,কর্মে প্রমাণ তাঁর বারেবার,গড়িবো দেশ থাকিবো বেশ।”

মনে রাখবেন- ক্ষমতার মজুদে ত্যাগী কাঁদে কোটি অযুত নিযুতে। কেনো ভুলে যান রাজপথে ওরাওঁ(ত্যাগী) ছিলো সমানে সমান নয়তো কিঞ্চিত বেশিতে। আপনি ক্ষমতার কাঙাল হলে “ত্যাগী” কাঁদে মুখ লুকিয়ে নিরবে নিভৃতে। আজ আর ভয় করিনা কারণ- ভালো লাগা হাতে ভালোবাসার “ছাত্রলীগ” ভালো থেকো।

জয়তু “দেশরত্ন শেখ হাসিনা”  জয়তু ছাত্রলীগ সারাবাংলা-
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
জয় হোক রকিবের।

লেখকঃ “হেন কবি”

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর