শিরোনাম

ফেসবুকে বন্ধুত্ব: ভারতে বাংলাদেশি কিশোরীকে বিক্রি চেষ্টা

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩:৪৬:৫৮ অপরাহ্ণ - ১৭ জুন ২০১৭ | ১৫৩

১৭ বছর বয়সি এক বাংলাদেশি তরুণী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তার বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে ভারতীয় এক তরুণীর সঙ্গে। অতঃপর তাকে ভাল চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বেঙ্গালুরুতে নিয়ে যায় সে। সেখানে নিয়েই বাংলাদেশি কিশোরীকে পাচারের চেষ্টা করা হয়। তবে শেষমেষ পাচারের হাত থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে মেয়েটি। বর্তমানে সে বেঙ্গালুরুর একটি উদ্ধার আশ্রমে রয়েছে।

প্রতারণার শিকার বাংলাদেশি কিশোরী পুলিশকে জানায়, ফেসুবকে তার কাছে ওই তরুণী নিজেকে রুপা নামে পরিচয় দিয়েছে। তাকে পাচারের উদ্দেশ্যে সে বেঙ্গালুরু শহরে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যায়।

শনিবার বেঙ্গালুরু মিররে খবরে বলা হয়, পুলিশ অভিযুক্ত ভারতীয়কে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে এবং বাংলাদেশি তরুণীকে দেশে ফেরত পাঠাতে সয়াহতা করছে।

ভুক্তভোগী পুলিশকে জানায়, তার কাছে প্রয়োজনীয় ভ্রমণ কাগজপত্র রয়েছে। রুপা তাকে একটি শপিং মলে কাজ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়ায় সে বেঙ্গালুরু গিয়েছে।

পরে রুপা তাকে একজন বিক্রেতার কাছে বিক্রি করার প্রচেষ্টা চালায়। এসময় সে আড়ি পেতে বিষয়টি শুনে ফেলে। অতঃপর তাকে যেখানে রাখা হয়েছিলো সেখান থেকে সে পালিয়ে আসে। পরবর্তীতে একটি এনজিও বাংলাদেশি কিশোরীকে রেলওয়ে স্টেশন থেকে উদ্ধার করে। বর্তমানে মেয়েটি সরকারি শিশু আশ্রমে রয়েছে। আশ্রমের তত্ত্বাবধায়ক রামাদেবী এ ঘটনায় সিদ্দাপুরা পুলিশ স্টেশনে একটি মানব পাচারের মামলা দায়ের করেছেন।

এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ভুক্তেভোগী মেয়েটিকে হেসারাঘাট্টা প্রধান সড়কের চিক্কাসন্দ্রর একটি রুমে রাখা হয়। তবে এটা স্পষ্ট নয় যে অভিযুক্তর প্রকৃত নাম রুপা কি না। মেয়েটি ২৭ জানুয়ারি থেকে শিশু আশ্রমে রয়েছে। শুরুতে সে মুখ খুলতে রাজি হয়নি। তবে এখন সে জানিয়েছে যে, সে পাচার চেষ্টার শিকার হয়েছে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ভুক্তভোগী মেয়েটি তার বাবা-মা ও ঠিকানা সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছে। আমাদের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশি হাইকমিশন তার দেয়া তথ্য সঠিক বলে নিশ্চিত করেছে। আমরা তাকে বাড়িতে ফেরত পাঠাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।

 

janatarpratidin.com / Md. Bappy / 17 June 2017

 

এ বিভাগের জনপ্রিয় খবর

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর