শিরোনাম

প্রশ্নপত্র তৈরিতে অসততা; নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ শিক্ষক ভর্তি প্রক্রিয়া থেকে বাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬:২৪:০৩ অপরাহ্ণ - ১৩ আগস্ট ২০১৭ | ১৫৪

বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা:

প্রশ্নপত্র তৈরিতে অসততার দায়ে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষককে ভর্তি পরীক্ষা কমিটি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

প্রশ্নপত্র তৈরিতে অসততার দায়ে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত শিক্ষককে ভর্তি পরীক্ষা কমিটি থেকে আগামী তিন বছরের জন্য অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সদস্য সচিব ড. হুমাইয়ুন কবীর এ তথ্য জানিয়েছেন।

অব্যাহতিপ্রাপ্ত শিক্ষকরা হলেন- ‘ক’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক মাহবুব হোসেন, সদস্য ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক বিজয় ভূষণ দাস, অধ্যাপক মো. ইমদাদুল হুদা, সহকারী অধ্যাপক রায়হানা আক্তার এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক মো. সাহাবউদ্দিন, সহকারী অধ্যাপক ড. মো. হাবিব-উল-মাওলা, সহকারী অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌস।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ সেশনের ভর্তি পরীক্ষার জন্য ‘ক’ ইউনিটের ইংরেজি বিষয়ের জন্য ওই তিন শিক্ষককে প্রশ্নপত্র তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু তারা যে প্রশ্নপত্র তৈরি করেছেন, সেটির সঙ্গে ২০১৫-১৬ সেশনের ভর্তি পরীক্ষার ৪৯টি প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এ এম এম শামসুর রহমানকে আহ্বায়ক ও রেজিস্ট্রার আমিনুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে প্রশ্নপত্র তৈরিতে ‘অসততার’ প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তদন্ত কমিটির সুপারিশক্রমে সিন্ডিকেট সভায় অভিযুক্তদের সতর্ক করে কেবল ভর্তি পরীক্ষায় উপরোক্ত কমিটির প্রধান সমন্বয়কারীকে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ হতে পরবর্তী ৪ (চার) বছর পর্যন্ত এবং অন্যান্য সদস্যগণকে ৩ (তিন) বছরের জন্য প্রশ্নপত্র প্রণয়নসহ ভর্তি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল কাজ থেকে অব্যাহতি দেন ।

ড. হুমাইয়ুন কবীর জানান, গত ৫ আগস্ট বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকাস্থ অফিসে এ বিষয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিন্ডিকেটের ১৫ সদস্যের মধ্যে ১৪ জন উপস্থিত ছিলেন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে প্রশ্নপত্র তৈরিতে অসততার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।

সর্বশেষ