শিরোনাম

নৌকা একটি দলের প্রতিক’ই নয়-একটি অনুভূতির প্রতিক,

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১:১৪:১৭ পূর্বাহ্ণ - ২১ নভেম্বর ২০১৮ | ৩১৪

বাঙালির গর্ব-ইতিহাসে আছে মিশে, নৌকার দান মুক্তিযুদ্ধ-স্বাধীনতায় আছে সদা নৌকার অবদান জাতি গঠনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের-নৌকা স্বদেশ ঠনে বঙ্গকন্যার আস্থার-নৌকা। বাঙালির “ত্যাগী-নৌকা” সর্বোচ্চ ত্যাগ ও বিসর্জনে বাঙালির “অর্জিত-নৌকা” সর্বত্রই প্রতি গর্ব অর্জনে এটি “আজন্মই আওয়ামী লীগের -নৌকা” শুধুই তথাকথিত কোনো “সাধারণ-প্রতীক” নয়।

এটি কেবল বাঁশ, টিন-কাঠের তৈরি যত্সামান্য কোনো নৌযানই নয় বরং “এ-নৌকা” ৩০ লক্ষ শহীদের সাহসী রক্তে রাঙা বাঙালির এক দূর্বিনীত “ত্যাগের-চিহ্ন”-মুক্তিযুদ্ধে লাখো শহীদের “রক্ত-নৌকা”। এটি “আজীবন আওয়ামী লীগের-নৌকা”,শুধুই সাধারণ সীসা শোভিত বা আলকাতরায় রঞ্জিত নিছক কোনো “সাদামাটা-মার্কা” নয় বরং “এ-নৌকা” ২ লক্ষ সতী মা-বোনের সর্ব সম্ভ্রমের “সাক্ষী-নিশান”-রণাঙ্গনের লাখো বিরঙ্গনার “সম্ভ্রম-নৌকা”।

আদর্শের-নৌকা “এ-নৌকা”-একটি আদর্শ রাষ্ট্রের প্রবর্তক । “বঙ্গকন্যা” মনে করেন যদি প্রত্যেক সুনাগরিকের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ পূর্বক তাঁদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে রাষ্ট্র পরিচালনা করা যায় তবে শীঘ্রই সেই দেশ অত্যাধুনিক আদর্শ রাষ্ট্র হিসেবে পরিগণিত হবে।” চেতনার-নৌকা “এ-নৌকা”-ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের ধারক।

বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা” মনে করেন “বাংলাদেশ একটি ধর্ম নিরপেক্ষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ।তাই একমাত্র ধর্ম নিরপেক্ষতা এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনাই কেবল শোষণ নিপীড়ন মুক্ত একটি সার্বজনীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম। অস্তিত্বের-নৌকা “এ-নৌকা”-সদা রাখে সুরক্ষিত স্বাধীন বাংলা পতাকা।

বঙ্গতনয়া বিশ্বাস করেন “প্রকৃত ধৈর্য্যশীল অক্লান্ত পরিশ্রমী ও সৎ সাহসীরাই সর্বত্র জাতির আদর্শের সন্তান এবং দিন শেষে এঁরাই বিশ্ব জয়ী,গর্বিত বিজয়ী।আর এইসব আদর্শ সন্তানের হাতেই সদা সুরক্ষিত আমাদের বাংলার স্বাধীনতা ও রাষ্ট্র পতাকা। ভরসার-নৌকা এ-নৌকা আধুনিক রাষ্ট্রের এক শক্ত মজবুত ভিত।

দেশরত্ন মনে করেন যদি একটি দেশের প্রত্যেক নাগরিকের কাম্য সাফল্য আনয়ন পূর্বক ঐসব সফল নাগরিকদের সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায় তবে আধুনিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে একটি মজবুত ভিত গড়ে দেয়া সম্ভব। সৌভাগ্যের-নৌকা এ-নৌকা রাষ্ট্র ও নাগরিকের কাম্য ভাগ্যোন্নয়নের। মুজিব-কন্যা বিশ্বাস করেন একটি দেশের ভবিষ্যত উদ্দেশ্য স্থির রেখে যদি প্রতিটি নাগরিকের ভাগ্যের যৌক্তিক পরিবর্তন ঘটানো যায় এবং পাশাপাশি আর্থসামাজিক অবস্থা ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করা যায় তবেই কেবল একটি সুখী সমৃদ্ধ আধুনিক দেশ বিনির্মান করা সম্ভব।

অগ্রগামী-নৌকা এ নৌকা সৃজনশীল সুশিক্ষিত ও প্রকৃত মেধাবীদের। ”দেশরত্ন” এও বিশ্বাস করেন অশিক্ষিত মেধাহীন জাতিই একটি দেশের কাম্য উন্নতির প্রধান অন্তরায়-বিষ ফোঁড়া। প্রকৃত সুশিক্ষিত ও মেধাবীরাই একটি দেশের আদর্শিক হীরক সম্পদ এবং সর্বোচ্চ উন্নয়নের সর্বোত্তম ধারক ও প্রধান সহায়ক-মূল চাবিকাঠি। শিক্ষা খাতে রাষ্ট্রীয় বরাদ্দের পাশাপাশি যদি ব্যক্তিক বিনিয়োগ বাড়ানো যায় তবে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি সৃজনশীল সুশিক্ষিত ও মেধাবী জাতি গঠন করা সম্ভবপর হবে।

আস্থার-নৌকা এ-নৌকা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি’নির্ভর রাষ্ট্রের নির্দেশক। বঙ্গতনয়া মনে করেন যদি একটি দেশের প্রকৃত সৃজনশীল সৃষ্টিশীল ও মেধাবীদের বর্তমান প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে সুসংগঠিত ও কৌশলী করে গড়ে তোলা যায় তবেই সর্বাগ্রে একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর রাষ্ট্র বিনির্মাণ করা সম্ভব ও যুক্তিযুক্ত।

ওঁরে নিভৃত প্রবীণ-প্রৌঢ়,আপাদমস্তক-বয়োজ্যেষ্ঠ

তোমরাই “শক্তি”-আমার গর্বোজ্জ্বল অগ্রণী ‘

জীর্ণ-কপট-জঞ্জাল’ ভুলে চলো আজি আবারও বঙ্গবন্ধুর “নৌকায়”

পূর্বাপর পরম বিশ্বাস রাখি।

ওঁরে জাগ্রত যৌবন-যুবা,আপামর নবীন-আগুয়ান

তোমরাই “স্বপ্ন”-আমার অহংকারী আগামী

‘বিভেদ-বিদ্বেষ-হিংসা’ ভুলে চলো আজি

আবার বঙ্গকন্যার “নৌকায়” পুনশ্চ আস্থায় অবিচল থাকি।

চলো আবার ‘আপামর জনতা-আবালবৃদ্ধবনিতা’ জয় বাংলা বলে আগে বাড়ি

হাতে হাতে চলো সবাই বঙ্গবন্ধুর “সোনার-বাংলায়”

বঙ্গকন্যার অত্যাধুনিক “ডিজিটাল-বাংলাদেশ” গড়ি।

আরাধনায় তোমার- একজন “কর্মী-রকিব” বারেবার

লেখকঃ মো: রকিবুল ইসলাম রকিব, সভাপতি, ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর