শিরোনাম

গোপালপুর ও কৃষ্ণপুরে খাল বন্দ করে ফিসারী, জলাবদ্ধতায় ৫ একর আবাদী জমি

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫:৫৭:৫৭ অপরাহ্ণ - ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৭৩

যুগ যুগ ধরে চলমান খালের জমির স্থানীয় প্রভাবশালী আব্দুল রহমান, রফিকুল, কদ্দুছ, হান্নান, বিপুল নামীয়রা একাধিক পুকুর খনন করে খালটি বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে রাজ্জাক, মান্নান, হাসি নামীদের প্রায় ৫ একর আবাদী জমিসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার কতক বাড়িঘর, আঙ্গিনা, উঠান, কবরস্থান সামান্য বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে পড়ছে।

এ ঘটনায় খালের জমি দখল করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী প্রভাবশালী চক্র সৃষ্ট জলাবদ্ধতা অপসারণে বিকল্পপথে পানি নামানোর চেষ্ঠাসহ নানা ষড়যন্ত্র মুরু করেছে। এমনকি মজিবুরের ফিসারীর পুর্বপাশ দিয়ে মান্নানের ব্যক্তি মালিকানা জমি দিয়ে নতুন করে খাল খননের অপচেষ্ঠা শুরু করেছেন। এ লক্ষ্যে কদ্দুছের নেতৃত্বে চক্রটি বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্ঠা করছেন। এ ঘটনায় এলাকাবাসী বিক্ষুব্দ হয়ে উঠেছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, ময়মনসিংহ সদরের সীমান্তবর্তী চর বড়বিলা গ্রামে সীমান্ত এলাকা ও তারাকান্দা উপজেলার গোপালপুর এবং চরকৃষ্ণপুর মৌজায় যুগ যুগ ধরে বাউশা বিলের পানি বাঘমারা বিলে চলাচল করছে। বড়বিলা, গোপালপুর ও কৃষ্নপুরের তিন মোড় স্থানীয়দের ভাষায় সংযোগ মোড়ে বিলটি অবস্থিত। ময়মনসিংহ ফুলপুর সড়কের বড়বিলা এলাকার পুডামারা পুল দিয়ে বগপুরা বিলের পানি বাউশা বিলে প্রবাহিত হয়ে গোপাল ও কৃষ্ণপুর হয়ে বাঘমারা বিলে পানি নামছে। এ তিন মৌজার সীমান্ত এলাকা দিয়ে বহমান খালটি বন্ধ করে খালের জমির প্রভাবশালী আব্দুল রহমান, কদ্দুছ, রফিকুল, হান্নান, বিপুল একাধিক পুকুর খনন করে একাধিক ফিসারী নির্মাণ করে ব্যবসা করে আসছে।

স্থানীয়রা দাবী করেছেন, আব্দুল রহমান, কদ্দুছ, রফিকুল, হান্নান নামীয় তাদের ফিসারীর মাছ বিক্রিকালে পানি সেচ দিয়ে পশ্চিমপার্শে ফেলে আসছে। এর ফলে উল্লেক্ষিত ফিসারীর পশ্চিমপাশে প্রায় এক একর জমি পানিতে তলিয়ে রয়েছে। একই সাথে আশপাশের একাধিক বাড়ীঘর, কবরস্থান, উঠান-আঙ্গিনা সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে পড়ছে।

এ নিয়ে স্থানীয়রা ক্ষুব্দ হয়ে উঠছে। এদিকে শাক দিয়ে মাছ ডাকার মত প্রভাবশালী কদ্দুছ নিজের দায় অপরের কাছে ফেলতে নানা অপপ্রচার চালিয়ে আসছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ বড়বিলা খালের জমি না রেখে আব্দুল রহমান, কদ্দুছ,  রফিকুল, হান্নান, বিপুল নামীয়রা পুকুর তৈরী করে উজানে (পশ্চিম পার্শ্বে) তাদেরই কতকজনের জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করেছে।

সম্প্রতি মজিবুর রহমটনের ফিসারীর উত্তর পাশ দিয়ে এবং মান্নানের ফিসারী দক্ষিণ দিয়ে স্থানীয়ভাবে মাপঝোক করে কতক জমি মান্নানের হওয়ায় মজিবুর তা ছেড়ে দিয়েছে। ফলে ঐ জমি দিয়ে প্রভাবশালীরা জোর করে খাল খননের চেষ্ঠায় নানা অপপ্রচার শুরু করেছে। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে জেলা উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর