শিরোনাম

করোনা যুদ্ধ মোকাবিলায় শীর্ষে ৫ পুলিশ সুপার!

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১:৪৪:২৮ অপরাহ্ণ - ১৮ জুলাই ২০২০ | ১৫

বদরুল আমীন, ময়মনসিংহঃ করোনা মোকাবিলায় সরকারের নির্দেশে সারা দেশের পুলিশ ছিল তৎপর। তার মধ্যে যে সকল জেলা পুলিশ সার্বিক দ্বায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সর্বক্ষন মাঠে থেকে কাজ করেছেন কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সর্বাধিক আলোচিত হয়েছেন তাদের সংখা ন্যাহায়েত কম নয়। তারা দ্বায়িত্বরত নিজ নিজ জেলায় এতোটাই কাজ করেছেন, যার প্রেক্ষিতে দেশের পুলিশ আজ মানবিক পুলিশ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। যেমন, ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের এসপি মোহাঃ আহমার উজ্জামান, কুমিল্লা জেলা পুলিশের এসপি সৈয়দ নূরুল ইসলাম, রংপুর জেলা পুলিশের এসপি বিপ্লব কুমার সরকার, মাদারীপুর জেলা পুলিশের এসপি মাহবুব হাসান, গাজীপুর জেলা পুলিশের এসপি শামছুন নাহার, উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশ পুলিশের এই ৫ টি জেলা ছাড়াও অন্যান্য জেলা পুলিশের ভূমিকা চোখের নজর কেড়েছে। যে কারনে বাংলাদেশ পুলিশ “ মানবিক পুলিশের” আস্থা অর্জন করেছে। পুলিশ এখন দেশের মানুষের কাছে সর্বত্রই প্রশংসিত। তাদের মানবিক কার্যক্রম ও দূর্যোগ মুহুর্তে মানুষের পাশে থেকে ত্রান ও মানবিক সাহায্য প্রদানে মানুষের মনে সেবক পুলিশের আস্থা স্থাপন করেছে। বিভিন্ন জেলার পুলিশ মানবিক সেবায় জনগনের দ্বারঘোরে পৌছে গেছে। ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান নিজে সর্বক্ষন করোনা মোকাবিলায় জনসচেতনতা, সাহায্য-সহযোগীতা, চিকিৎসা ব্যবস্থা, করোনায় মৃত ব্যক্তির লাশ দাফনে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন। কিছু পুলিশ অফিসার ভীততা প্রকাশ করলেও, ভয়ংকর মুহুর্ত্তে করোনাকে উপেক্ষা করে ময়মনসিংহের এসপি মোহাঃ আহমার উজ্জামান তার জেলা গোয়েন্দা সংস্থাকে বিশেষ কাজে লাগিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি মানবিক সাহায্য জনগণের হাতে পৌঁছে দিয়েছেন। বিশ্ব জুড়ে আতংক মহামারী করোনাভাইরাস মারাতœক আকার ধারন করেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের সেবা দিচ্ছেন বাংলাদেশ পুলিশ। প্রচার প্রচারনায় ও জনসাধারণকে সেবা প্রদান করে জেলার মানুষের কাছে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের এসপি মোহাঃ আহমার উজ্জামান, রংপুর জেলা পুলিশের এসপি বিপ্লব কুমার সরকার, মাদারীপুর জেলা পুলিশের এসপি মাহবুব হাসান, গাজীপুর জেলা পুলিশের এসপি শামছুন নাহার, কুমিল্লা জেলা পুলিশের এসপি সৈয়দ নূরুল ইসলাম শতভাগ আস্থা অর্জন করেছেন। এর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন পুলিশের ভূমিকাও ছিল উল্লেখযোগ্য। করোনায় আক্রান্তদের হোম আইসোলেশন, লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা, নিজস্ব অর্থায়নে অসহায়দের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ এবং ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রিতে সহায়তা করেছে নিজ নিজ জেলার পুলিশ বাহিনী। সংঙ্গীত এর মাধ্যমে করোনার সচেতনতা আর বাসা-বাড়ি গিয়ে উল্লেখিত জেলা পুলিশের সবকটি ইউনিটকে জনসেবায় নিয়োজিত রেখেছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখিত ৫ জেলার প্রচার ও সেবা বান্ধব কার্যক্রম ছিলো শীর্ষে। সে কারনেই মানবিক পুলিশ জনগনের অন্তর থেকে প্রচারিত হচ্ছে। জেলা ও থানা পুলিশের অনেকেই আতংকিত হয়ে দায়সারা দায়িত্ব পালন করলেও। বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপারগণ ছিলেন সর্বক্ষন করোনা মোকাবিলায় মাঠে। করোনা মোকাবিলায় সরকারের নির্দেশ মোতাবেক প্রতিযোগিতার মাঠে কেউ না কেউ শীর্ষে থাকবেই। ফেসবুক ও গনমাধ্যমে দেখা গেছে, উল্লেখিত জেলার পুলিশ সুপারগণ প্রতিদিনই এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়িয়েছেন। এতে জেলার বাসিন্দাদের কাছে পুলিশের মানবিকতা প্রশংসিত হয়েছে। অপরদিকে জেলা পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। আর বিরামহীন ভাবে মানুষের সেবা করে যাচ্ছে পুলিশের বিভিন্ন টিম। জানা যায়, মহামারী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপারগণ ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। সরকারি ও পুলিশের দেয়া অর্থদিয়ে অভাব গ্রস্থ মানুষদের সহযোগিতা করেছেন। নিজেদের বেতনের টাকা দিয়ে জেলার কর্মহীন অসহায় হতদরিদ্র কয়েক হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেন। নিজস্ব অর্থায়নে বাড়ি বাড়ি গিয়ে অনাহারী পরিবারর খাদ্য সহায়তা করেন। পথশিশুদের ঈদের নতুন জামা বিতরণ করেন। ফলে জনসাধারণের মনে দারুন ভাবে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। উল্লেখিত পুলিশ সুপারগণ জনসচেতনতা সৃষ্টি করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলা ও নিজ নিজ জেলার বাসিন্দাদের প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে গণসচেতন করা, করোনায় আক্রান্তদের ঘরে ঘরে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়া, অসহায় শ্রমিকদের মানবিক সহায়তা প্রদান, রিকশা-ইজিবাইক ও সিএনজি চালকদের খাদ্য সহায়তা প্রদান, করোনায় মৃতদেহ দাফন করা এবং জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত মাঠে থেকে আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছেন। এছাড়া পথশিশুদের দিয়েছেন ঈদে নতুন জামা, হাফেজদের দিয়েছেন ঈদের সামগ্রী এবং হিজরাও পেয়েছে মানবিক সহায্য ও সহযোগিতা। পুলিশ এখন জনগনের নিকট প্রকৃত সেবকে পরিণত হয়েছে। জনগণ পুলিশের প্রকৃত সেবা পাচ্ছে। করোনায় মানুষের সেবা প্রদান করতে গিয়ে ইতিমধ্যে পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। কিন্তু তাতেও পুলিশ থেমে নেই, জীবনের শেষ বিন্দু সময় পর্যন্ত দেশ ও জাতির সেবায় নিজেদের বিলিয়ে দেবে বলে তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলে ময়মনসিংহের পুলিশ জানান।

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর