শিরোনাম

ঐতিহ্যবাহী সার্কিট হাউজ মাঠকে নিয়ে সৌন্দর্যের নামে আলোচনা ও সামালোচনার ঝড় বইছে নগরীতে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১:১১:১৪ অপরাহ্ণ - ০৩ জুন ২০২০ | ৩০
মোঃ মাসুদ রানাঃ
ঐতিহ্যবাহী সার্কিট হাউজ মাঠে  আমরা নগরবাসী  অনেক বছর আগে থেকেই দেখে আসছি বিভিন্ন  ক্রিকেট টিম ও ফুটবল টিম সহ ঘরোয়া ক্রিকেট ও ফুটবল খেলা থেকে শুরু করে বিভিন্ন জেলার পর্যায়ের ক্রিকেট  খেলার  জন্য  একটি  সুন্দর ও  মনোরম পরিবেশের মাঠ ।
তাই  নগরবাসী দাবি এই সার্কিট হাউজ মাঠকে সৌন্দর্য  বর্ধনের নামে আমাদের ময়মনসিংহের খেলোয়াড়বৃন্দদের খেলাধুলার মান ও চর্চার  যাতে বিঘ্নতার সৃষ্টি না হয়  সে কারণে এই ঐতিহ্যবাহী  সার্কিট হাউজ মাঠের চারিদিকে  দেয়াল সৃষ্টির মাধ্যমে আবদ্ধ না করার জন্য  নগরবাসীর জোড়দার দাবি জানিয়েছেন।
আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে সামাজিক ও যোগাযোগের মাধ্যম তাই নগরবাসীর দাবি এই ঐতিহ্যবাহী সার্কিট হাউজ মাঠটিকে কোন প্রকার দেয়াল সৃষ্টির মাধ্যমে আবদ্ধ করা যাবে না।নইলে নগরবাসীররা এই রকম মাঠ ধংসের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহন করবো।
সাধারণ জনগণ থেকে শুরু করে খেলোয়াড়বৃন্দ দের কাঙ্খিত আশা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না কেননা এই সার্কিট হাউজ মাঠ টি কে কেন্দ্র করে অনেক নামি দামি খেলোয়ার বাংলাদেশের নামিদামি টিম সহ বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়বৃন্দ নিয়মিত খেলে যাচ্ছেন এই মাঠটিতে তাই আমরা নগরবাসি এই মাঠটিকে কোন প্রকার দেয়াল সৃষ্টি করে আমাদের ভবিষ্যতের সর্বনাশ  হতে দেবে না।
মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি দেখানো যাবে না।কারন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মতো ত্যাগ আর দেশ প্রেমিক আমরা/আপনারা হতে পারি নাই। এই সার্কিট হাউজ মাঠটিকে নিয়ে সৌন্দর্য্যের নামে ধ্বংসের যে পরিকল্পনা আপনারা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা কি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জানেন?
আপনারা হয়তো ভুলে গেছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন, আমার বাবার নামে কোন কিছু করতে হলে আগে আমাকে জানাবেন।
ঐ নগরীর জনগন কি বলে সেটা আগে আমার জানতে হবে। আমি অনুমতি দিলে পরে যা কিছুর করার প্রয়োজন হয় তা
আপনারা সম্মিলিত ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে করবেন। কিন্তু আপনারা কি জানিয়েছেন প্রধামন্ত্রীকে এটা নগরবাসীর প্রশ্ন ?
আমাদের ময়মনসিংহ সদর ৪ আসনের এমপি মহোদয়ের কাছে কোন লিখিত চিঠি দিয়েছেন কি? সেটাও আমরা নগরবাসী জানিনা।
অন্যদিকে আরও একটি আত্মঘাতী সিন্ধান্ত নিতে চলছেন আপনারা ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালের নতুন ভবনে করোনার চিকিৎসার জন্য কেন?
এস.কে হাসপাতালে তো ভালো চিকিৎসা চলছে, না হলে এ জেলায় মৃত্যুর হার এতো কম হতো না। ত্রিশাল ও ফুলপুরের  মারা গেছে মাত্র ২ জন রোগী।
টাকা খরচ করার জায়গা নগরীর অন্য কোন উন্নয়নের জন্য চেষ্টা করুন পারলে নগরবাসীর মুক্ত বাতাস খাওয়া ও বিনোদনের জন্য জয়নুল আবেদীন পার্কটিকে ঘেষে যে  বেরিবাঁধটি বানানো হয়েছে সেটি টেকসই ও মজবুত করুন। প্রতি বছর যেভাবে এর ভাঙ্গন শুরু হচ্ছে তা দেখে মনে হয় নগরবাসী ক্ষণিকের বিনোদনের জন্য পড়বে হুমকির মুখে।
সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর