শিরোনাম

আমি একজন ছাত্রলীগ নেতা দেখেছিলাম আমি একজন ”রকিব” দেখেছিলাম!

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২:৪৭:৫০ পূর্বাহ্ণ - ৩০ জুন ২০১৮ | ১০৮

জনতার প্রতিদিনঃ 

বিশ্বাস করুন আমি গদবাধা সস্তা কোন প্রলাপ বকছি না,আমি কর্মীদের জন্য একজন নেতার সীমাহীন আন্তরিকতা দেখেছিলাম।
আমি সে নেতার চোখে কর্মীদের জন্য ভালোবাসা দেখেছিলাম,আমি দেখেছিলাম কেমন করে একজন নেতা তার কর্মীদের যোগ্যতম মূল্যায়ন ও স্বীকৃতির জন্য নিজের চেষ্টার শেষটুকু দিয়ে শেষ পর্যন্তই সচেষ্ট ছিলেন।
সত্যিই আমি সে নেতার তার কর্মীদের প্রতি ভালোবাসা দেখে আমিও সেদিন একবেলা রাজনৈতিক হতে চেয়েছিলাম।

বিশ্বাস করুন সত্যিই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলনের প্রাক্কালে সন্ধ্যা রাতে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উপস্থিত সমবেত সবার মতো আমিও একজন ছাত্রলীগ নেতা দেখেছিলাম। সে নেতার চোখে তাঁর কর্মীদের জন্য কষ্টের পানি দেখেছিলাম।
বুঝেছিলাম, একজন কর্মীকে কতটা ভালোবাসলে, কতটা যত্ন নিলে সেই কর্মীটার পরিশ্রমের যোগ্য মূল্যায়নটুকু না হলে প্রচন্ড আক্ষেপে একজন নেতার চোখে কষ্টের পানি চলে আসে।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের (সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক সহ) মতো আমিও সে অশ্রুজল প্রত্যক্ষ করলাম।বিশ্বাস করুন এসব আপনাদের বিশ্বাস করতে বলছিনা।কারন বিশ্বাস ঠুনকো বালির বাঁধ না।আর নেতৃত্বের প্রতি কর্মীদের বিশ্বাস অতটাও সস্তা না।

কেউ তো তাদের নেতৃত্বেও(!) বিশ্বাস রাখে যারা সেদিন শেষ পর্যন্ত কেবল নিজের স্বার্থে তাঁর কর্মীদের পরিশ্রম নিয়ে প্রহসন করেছিল।

সোহরাওয়ার্দীর সে ময়দানে আমি সেদিন এমন নেতার(!) গল্প‌ও শুনেছিলাম যিনি কর্মীদের মূল্যায়নে সংকীর্ণতা দেখিয়েছেন,যিনি তার কর্মীদের চোখে স্বার্থের প্রলেপ এঁটে দিয়ে কর্মীদের বিভ্রান্ত করেছিলেন।
তিনি হ্যাঁ তিনিই ছিলেন যিনি ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের নিবেদিত ও পরিশ্রমী কর্মীদের সাংগঠনিক স্বীকৃতি ও স্বপ্ন ভঙ্গের একমাত্র কারণ ছিলেন।

সেদিন সে সন্ধ্যায় আমি নেতৃত্বের দ্বৈতরূপ দেখেছিলাম‌। একজন তার কর্মীদের মূল্যায়ন ও ত্যাগের যোগ্যতম স্বীকৃতি দিতে সর্বত্র সর্বাগ্রে সচেষ্ট ছিলেন,আর অন্যজন তার ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য তার কর্মীঁদের সাথে লুকোচুরি খেলে যাচ্ছেতাই প্রহসনে মত্ত ছিলেন।

বিশ্বাস করুন সে সন্ধ্যায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উপস্থিত সমবেত সবার মতো আমিও একজন ছাত্রলীগ নেতা দেখেছিলাম,আমি স্বচক্ষে চাক্ষুষ একজন ‘রকিব’ দেখেছিলাম।

আমরা একজন রাক্ষুসে নেতৃত্বের গল্প‌ও শুনেছিলাম,যে করেছে তার সন্তানদের (কর্মীঁদের) নিষ্পাপ রক্ত পান।

কার্যত এই ছিলো ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের দু’নেতার দ্বৈত নেতৃত্বের প্রকৃত উপাখ্যান।

একজন ছিলেন নেতৃত্বে দৈত্য
পক্ষান্তরে ‘রকিব’ আজো ভীষণ‌ই নিবেদিত!

বিশ্বাস করুন,
একদিন আবারো এই কর্মীরাই নেতাদের ভাগ্য বদলে দেবে।
নিশ্চয়ই কর্মীদের জন্য অঝোরে ঝরে যাওয়া বহমান সে নেতার সেদিনের চোখের পানি একদিন সাক্ষী দেবে!

আত্মস্বীকৃত অনুভূতি ব্যত্যয়ে (হেন কবি)

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর