শিরোনাম

আমরা যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই, মানবজাতির কল্যাণ চাই : প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭:১২:১৯ পূর্বাহ্ণ - ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ২০

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭২ তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে মিয়ানমারে চলমান জাতিগত নির্মূলের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা হাজার বছর ধরে সেখানে বসবাস করে আসছে। তবুও তারা আজ নির্যাতিত। এদের দুঃখদুর্দশা আমি গভীরভাবে অনুধাবন করতে পারি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আমার বাবা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর আমি এবং আমার ছোট বোন দীর্ঘ ৬ বছর উদ্বাস্তু থেকেছি।

এ সময় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিষয়ে তিনি ৫ দফা প্রস্তাব পেশ করেন।

ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত ৮ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয়-সুরক্ষা দিয়ে চলেছি। প্রতিদিন হাজার হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসছে। রোহিঙ্গারা যাতে মিয়ানমারে ফেরত যাওয়া ঠেকাতে সে দেশের সেনাবাহিনী স্থল মাইন পুঁতে রাখছে। আমরা তাদের এই আচরণে ভীষণভাবে দুঃশ্চিন্তাগ্রস্ত। রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের জন্য তিনি জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।

একইসঙ্গে তিনি সব ধরণের সন্ত্রাসবাদের সমালোচনা করে এ ব্যাপারে তার সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা তুলে ধরেন। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের কড়া সমালোচনা করে এ বিষয়ে তার চিন্তাভাবনা তুলে ধরেন তিনি। বিশ্ব সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় তিন দফা প্রস্তাবও জাতিসংঘের সামনে তুলে ধরেন তিনি।

এছাড়া বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড জাতিসংঘে তুলে ধরেন তিনি।

পরিশেষ তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই। মানবজাতির কল্যাণ চাই।

সর্বশেষ